যুবরাজ সিং নিজে কোনও ফেয়ারওয়েল ম্য়াচ চাননি বোর্ড থেকে একটি শর্তাধীন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল তা ফিরিয়ে দেন যুবরাজ

২০০০ সাল। ম্য়াচ গড়াপেটা কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে ভারতীয় ক্রিকেট তোলপাড়। আর সেখান থেকে নতুন করে একটি দল গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন নতুন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিনি দলে আনলেন নতুন দুই ক্রিকেটারকে। বাঁহাতি জোরে বোলার জাহির খান, আর বাঁহাতি অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং। প্রথম ম্যাচেই তখনকার দুর্ধর্ষ অস্ট্রেলিয় বোলিং আক্রমণ সামলে পরাজিত ৮৪ রানের ইনিংস খেলে আবির্ভাবের হুঙ্কার দিয়েছিলেন পঞ্জাবী শের। বিদায় বেলাতেও সেই ব্যাঘ্র-গর্জনই শোনা গেল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ক্রিকেটাররা মাঠ থেকেই বিদায় নিতে চান। আশীষ নেহরা-কে যেমন ফিরোজ শা কোটলায় একটি টি২০ ম্য়াচে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল, তিনিও কি সেইরকমটা চেয়েছিলেন? যুবরাজ জানালেন, নিজে চাওয়া তো দূর বোর্ডের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

তিনি জানান, তিনি যতদিন খেলেছেন নিজের আনন্দে খেলেছেন। বিদায়ী ম্যাচ চেয়ে নেওয়া মানে, কারোর দয়ায় খেলা। সেভাবে তিনি কোনওদিন খেলেননি। আরও জানিয়েছেন বোর্ড থেকে তাঁকে বলা হযেছিল 'ইওইও টেস্ট'-এ উত্তীর্ণ হতে না পারলে তাঁর বিদায়ী ম্য়াচের ব্যবস্থা করা হবে।

যুবি সাফ জানিয়ে দেন, তার কোনও দরকার নেই। ইওইও টেস্টে ব্যর্থ হলে চুপচাপ ব্যাগ গুছিয়ে বাড়ি চলে যাবেন। খেললে নিজের ক্ষমতায় খেলেন। যদি মনে করা হয় তিনি খেলার যোগ্য তবেই খেলবেন।

তিনি আরও জানান, ভেবেছিলেন এই বছর আইপিএল-এ ভাল খেলতে পারবেন। দলকে জিতিয়ে ফাইনালের পরই অবসর নেবেন। কিন্তু এই বছরও আইপিএল-এ তাঁর ব্যাট প্রত্যাশা মতো কথা বলেনি। যুবরাজ আরও জানান, জীবনে সবকিছু পাওয়া সম্ভব নয়। আর তাকে মেনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। তিনি সেটাই করছেন। তবে ২২ গজে কিন্তু শেষ দিন পর্যন্ত যুবি বাঘের বাচ্চার মতোই থাকলেন।