আজ সূচনাটা হয়েছিল নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘের পুজোর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ৷ তারপর সেখান থেকে যোধপুর পার্কে যান তিনি ৷ সেখান থেকে যান চেতলা অগ্রণীতে ৷ 

মহালয়ার (Mahalaya) দিনই দুর্গোৎসবের ঢাকে কাঠি পড়ে গেল। আর দেবীপক্ষের সূচনায় প্রতি বছরের মতো এবারও পুজো উদ্বোধনে নেমে পড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আজ শহরের বেশ কয়েকটি বড় পুজোর উদ্বোধন করেন তিনি। তাঁর পুজো উদ্বোধন করার সঙ্গে সঙ্গে শহরে পুজোর আমেজ যেন আরও অনেকটা বেড়ে গিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আজ সূচনাটা হয়েছিল নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘের (Naktala Udayan Sangha) পুজোর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ৷ তারপর সেখান থেকে যোধপুর পার্কে (Jodhpur Park) যান তিনি ৷ সেখান থেকে যান চেতলা অগ্রণীতে (Chetla Agrani) ৷ কলকাতার তিন প্রথম সারির পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ার সঙ্গেই যেন উৎসবের আবহে ঢুকে পড়ল বাঙালি। 

আরও পড়ুন- দুর্গা পুজোর আগেই মাথায় হাত মহিলার, অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও ২ লক্ষ টাকা

নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘের পুজো উদ্বোধন করেন মমতা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও উদোক্তা বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত। প্রতিমার আবরণ অনুমোচন করলেন তিনি। শিল্প ভবোতোষ সুতো দিয়ে প্রতিমা তৈরি করেছেন। শিল্পী প্রদীপ দাসের ভাবনায় তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ মণ্ডপের আকার প্রকার। এবার তাঁদের থিম চলো চিত্র। ভারত বাংলাদেশের দেশ ভাগের সময়ের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। উৎসবের দিনগুলিতে সবাইকে সামাজিক দূরত্ব মেনে উৎসবে সামিল হওয়ার অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি স্যানিটাইজার এবং মাস্কও ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন, Mahalaya: আজ মহালয়া, ভোর রাত থেকেই শুরু তর্পণ, কড়া নিরাপত্তা বাংলার ঘাটগুলিতে

প্রতিবারের মতো এবারও ‘চেতলা অগ্রণী’তে দুর্গা প্রতিমার চক্ষুদান করলেন মমতা। এই পুজো ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) পুজো নামেই পরিচিত। তবে তার আগে দলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলা’র পুজো সংখ্যার উদ্বোধন করেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি, মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতার পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম-সহ দলের প্রথমসারির একাধিক নেতা।

আরও পড়ুন- বন্ধ হতে চলা পুজোর দায়িত্বে প্রমিলা বাহিনী, এগিয়ে এলেন সংখ্যালঘু মহিলারাও

ষষ্ঠীর প্রায় পাঁচ দিন আগে আনুষ্ঠানিক ভাবে চক্ষুদান হয়ে গেলেও সাধারণের জন্য এখনই পুজো মণ্ডপ খোলা হচ্ছে না। চতুর্থী থেকে ঠাকুর দেখা যাবে। যদিও করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবারও পুজোর সময় যথেষ্ট কড়াকড়ি থাকছে। জোর দেওয়া হয় শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা-সহ একাধিক বিষয়ের উপর। পাশাপাশি মণ্ডপেও দর্শনার্থীদের প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শহরের আরও কয়েকটি পুজোর উদ্বোধন করবেন মমতা। নিউ আলিপুর সুরুচি সংঘ, একডালিয়া এভারগ্রীন, শিমলা ব্যায়াম সমিতি, কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু করে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব, উল্টোডাঙার তেলেঙ্গাবাগান সহ বিভিন্ন পুজো উদ্বোধন করবেন চিনি। 

YouTube video player