গোটা দেশের অঙ্কটা বিজেপির জন্য সহজ হলেও উত্তর-পূর্বে হিসেবটা একটু কঠিন হতা পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। তার ওপর আবার গোদের ওপর বিষ ফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে অসমের ন্যাশনাল রেজিস্টার ফর সিটিজেনস বা এনআরসি ও সিটিজেনসিপ অ্যামেন্ডমেন্ট বিল। বলাবাহুল্য অসমে মোট ১৪টি লোকসভা আসনের প্রায় ১০টির ভাগ্য নির্ধারন করে থাকে সেখানকার লক্ষ লক্ষ মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোটাররা। আর সেখানেই প্রশ্ন উঠেছিল, এনআরসি এই বিরাট সংখ্যক জনগণের স্বার্থ ক্ষুন্ন করেছে। যার প্রভাব পড়তে পারে অসমের লোকসভার আসনগুলিতে। অন্যদিকে অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুন গগৈ–এর ছেলে গৌরব গগৈ এবার সেখানে লোকসভার অন্যতম মুখ। তাঁর নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে স্বয়ং রাহুল গান্ধীকে। 

কিন্তু, বাস্তবে সেই সম্ভাবনাকে কার্যত ভুল প্রমাণ করতে চলেছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ১৪টির মধ্যে ৭টি আসনে জয় হয়েছিল বিজেপির। আর সেই জয়কে কাজে লাগিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য সরকার গঠন করে দেশের শাষক দল। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে ১৪ টি আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দিতা করেছে বিজেপি, কংগ্রেস এবং অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এআইডিডিএফ)। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুসারে সে রাজ্যে ৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।