মিলে গেল এক্সিট পোল। গেরুয়া শিবিরে এখন কেবলই হাসির রোল। দ্বিতীয় বার দেশে সরকার গড়বেন নরেন্দ্র মোদী। এবার বিজেপির স্লোগান ছিল, অবকি বার ৩০০ পার। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ছিল, জিতলেও ৩০০ আসন পাবে না বিজেপি। কিন্তু গণনার দিনে এসে দেখা যাচ্ছে সব ধুয়ে মুছে জয়ী বিপুল ভোটে জয়ী হচ্ছে গেরুয়া বাহিনীই। তাই বিরোধী মহলে এখন শুধুই দীর্ঘশ্বাসের শব্দ। 

কংগ্রেসের আসন সংখ্যা এবারে বাড়লেও তা সরকার গঠনের জন্য নিমিত্ত মাত্র। উত্তরপ্রদেশে এভাবে গেরুয়া ঝড় উঠবে কোনও রাজনৈতিক দল আশা করেনি। কিন্তু সেখানেও ৫০টির বেশি আসন পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এই রাজ্য় ঘিরে বিরোধীদের অনেক কৌশল ছিল। কারণ এই রাজ্য়েই আসন সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এখানেও সপা ও বসপা একসঙ্গে লড়ে কোনও লাভ হল না। 

বাংলাতেও তৃণমূল-কংগ্রেস দাবি করেছিল, তারা ৪২-এ-৪২ টাই জিতবে। কিন্তু সেকথাও যে ধোপে টিকল না, তা স্পষ্ট। বাংলায় রীতিমতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়েছে বিজেপি। ফলে অখিলেশ যাদব, মমতা, চন্দ্রবাবুরা যে জোট বেঁধে লড়ার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন যে এবার পূরণ হবে না, তা পরিষ্কার। কারণ এরা নিজেদের রাজ্যেই বিজেপির কাছে বেশ খানিকটা ধরাশায়ী হয়েছে। 


কিছুদিন আগেই মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস। তাই আশা ছিল এই রাজ্যগুলিতে কিছু করতে পারবে না বিজেপি। কিন্তু সেই আশাতেও জল ঢেলে দিল বিজেপি। কিন্তু কী ভাবে এই রাজ্যগুলিতেও বিপুল ভোটে জয়ী হচ্ছে বিজেপি। বিরোধী রাজনৈতিক দলে মনে করা হচ্ছে, পুলওয়ামা ঘটনার পরে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক বিজেপির পক্ষে গিয়েছে। পাকভূমে বিমান হানা হলেও কোনও জঙ্গি মৃত্যু হয়েছে কি না, তা যদিও এখনও স্পষ্ট নয়।