তিন তারকার জয়। তৃণমুলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পরই প্রথমেই যে দুটি নাম সবার নজর কেড়েছিল, তা হল নুসরত জাহান ও মিমি চক্রবর্তী। দীর্ঘ দিন ধরে জল্পনা চললেও চিত্রটা যখন স্পষ্ট হয়, তখনই সকলের মনে একটাই প্রশ্নের উদয় হয়েছিল, কতটা কাজ করবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  এই ম্যাজিক ফিগার। পরিশেষে মিলল স্বস্তি। দুই নতুন মুখই দুই লক্ষের বেশি ভোট ব্যাবধানে নিজের দখলে রাখলেন আসন।

নুসরত জাহান তৃণমুলের হয়ে বসিরহাট আসনে বিরোধীদের সঙ্গে ব্যাবধান তৈরি করলেন দুই লক্ষ একাত্তর হাজার। যেখানে বিজেপি-র থেকে দাঁড়িয়ে ছিলেন সায়ান্তন বসু, সিপিএম থেকে প্রার্থী ছিলেন পল্লব সেনগুপ্ত। প্রচারের প্রথম দিন থেকেই তিনি জানিয়ে ছিলেন, রাজ্য সরকার বসিরহাটে অনেক কাজ করেছেন, তাই জয় একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। জয়ের পর তার মুখে একই সুর শোনা যায়। মানুষ আস্থা রেখেছেন আমার ওপর, অনেক আশির্বাদ করেছেন আমায়, জানালেন নুসরত।

যাদবপুর থেকে তৃণমূলের হয়ে দাঁড়ায় মিমি চক্রবর্তী। প্রচার থেকে শুরু করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি। যাদবপুর কেন্দ্রে প্রায় প্রতিদিনই মানুষের কাছে গিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস জুগিয়েছেন তিনি। ফলসরূপ মানুষও ভরসা রেখেছে তার প্রতি। প্রায় দুই লক্ষ সত্তর হাজার ব্যাবধানে নিজের দখলে নিলেন যাদবপুর কেন্দ্রকে। এই আসনেই বিজেপি প্রার্থী ছিলেন অনুপম হাজরা এবং সিপিএম প্রার্থী ছিলেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য্য। ভোটে জেতার পর উচ্ছাস দেখা যায় যাদবপুর কেন্দ্রে।

অপরদিকে গতবারের ট্রেন্ডকেই অক্ষুত রেখে ঘাটালে বিজয়ি হলেন দেব। ভোট ব্যাবধান ঘটালেন প্রায় দেড় লক্ষ ভোট। এই কেন্দ্রেই বিজেপি প্রার্থী ছিলেন ভারতী ঘোষ, এবং সিপিএম প্রার্থী ছিলেন তপন গাঙ্গুলী। এদিন জয়ের পর হাসি মুখেই সকলকে শুভেচ্ছা জানালেন তিনি। পুনরায় পাঁচ বছরের দায়ভার। উন্নয়নের লক্ষ্যেই ব্রত এবার দেব।