নত মস্তকে জনতার রায় মেনে নিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। এখনও নির্বাচনের গণনা প্রক্রিয়া শেষ না হলেও, দেশ যে নরেন্দ্র মোদীর উপরই ফের আস্থা রেখেছে, তা স্পষ্ট। আরও একবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন রাহুল গান্ধী। তারপর সাংবাদিক সম্মেলনে এসে জনতার রায় মেনে নিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। এই ভরাডুবির বাজারেও নেতা-কর্মীদের সাহস জোগানো চেষ্টা করলেন তিনি।

এদিন রাহুল বলেন, প্রচারের সময় থেকেই বলেছিলেন জনতার রায় তারা মেনে নেবেন। তাই নতমস্তকেই এই রায তিনি মেনে নিচ্ছেন। এখই সঙ্গে জয়ী বিজেপি ও তাদের কান্ডারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অভিনন্দন জানান রাহুল।

তবে কেন এরকম ফল হল তা নিয়ে এদিনই আলোচনা করতে চাননি তিনি। পরে মূল্যায়ন করে সব বিস্তারিত জানাবেন বলে এড়িয়ে গিয়েছেন। জানিয়েছেন, লডা়ইটা ছিল নীতির লড়াই। বিজেপি একরকম নীতি নিয়ে নির্বাচনে লড়েছিল, কংগ্রেস আরেকরকম নীতি নিয়ে নির্বাচন লড়েছিল। জনতা বিজেপির নীতিতে আস্তা রেখেছে।

তবে কী তাঁর প্রেমের রাজনীতি কাজ করল না? তা কিন্তু মামনতে চাননি কংগ্রেস সভাপতি। সাফ জানিয়েছেন ভালোবাসার হার হয় না। এই লড়াই চলবেই। এই ফলে কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদেরও উৎসাহিত করার চেষ্টা করেন তিনি। বলেন এই ফলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, আত্মবিশ্বাসও হারানোর কিছু নেই। সামনে অনেক লড়াই লড়তে হবে।

শুধু দলের হার নয়, কংগ্রেসের ঘাঁটি আমেঠিতে তিনি নিজেও হেরেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির বিরুদ্ধে। সেই হারও মেনে নিয়ে স্মৃতিতে অভিনন্দন জানান কংগ্রেস সভাপতি। সেই সঙ্গে আমেঠির নবনির্বাচিত সাংসদের প্রতি তিনি আবেদন রেখেছেন, যাতে তিনি ভালোবেসে আমেঠি-র দেখভাল করেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখবেন এই আশা প্রকাশ করেই সাংবাদিক সম্মেলন থেকে উঠে যান পরাজিত সেনাপতি।