পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রে নির্বাচন চলছে সাত দফায়। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করার লক্ষ্যে অনেক আগেই অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই মত যাদের কাছে অস্ত্র রয়েছে,  তারা ইতিমধ্যে থানায় গিয়ে অস্ত্র জমাও দিয়েছেন। কিন্তু এই নির্দেশে রীতিমত সমস্যায় পড়েছেন বাংলার শুটাররা।


নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশিকার ফলে তাঁদের অস্ত্রও জমা দিয়ে দিতে হয়েছে।

 পুলিশি হেফাজতে অস্ত্র জমা দিয়েও অন্য আশঙ্কায় ভুগছেন বাংলার শুটাররা। কারণ রাইফেল অব্যবহারের ফলে গুণমান নষ্ট হয়।  রয়েছে অযত্নেরও ভয়। সবচেয়ে বড় কথা, ২ মাস তা আটকে থাকলে আসন্ন মরশুমের প্রস্তুতিতে বড় ধাক্কা লাগবে। 


প্রথমে রাইফেল ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদদন করেছিল রাইফেল শুটিং সংস্থা।  অনেক অনুরোধ-উপরোধ করা হলেও লাভ হয়নি। এবার উপায় না দেখে আইনি লড়াইয়ের চিন্তাভাবনা করছে রাজ্য রাইফেল শুটিং সংস্থা।

প্রসঙ্গত,  ১৯৯৯ সাল থেকে অস্ত্র জমা দেওয়া সংক্রান্ত এই নির্দেশ জারি হয়ে আসছে। তবে নির্দেশ মানার ব্যাপারে রাইফেল শুটারদের বাইরে রাখা হত। কারণ তাদের রাইফেল অসামাজিক কাজে ব্যবহার হয় না, এটি ক্রীড়ার একটি হাতিয়াক হিসেবেই গণ্য হয়ে এসেছে। 


সমস্যায় পড়েছেন বাংলার মেহুলি ঘোষ, আয়ুষি পোদ্দাররা।

 রাজ্য জুড়ে পাঁচটি শুটিং রেঞ্জ রয়েছে। সেখানে ২০০ শুটার প্র্যাকটিস করেন নিয়মিত। রয়েছে কয়েকটি ব্যক্তিগত শুটিং অ্যাকাডেমিও। সূত্রের খবর জমা দেওয়া রাইফেল তাঁরা হাতে পাবেন নির্বাচন ফল প্রকাশের ১০ দিন পরে। প্রায় দু'মাসের কাছাকাছি সময় রাইফেল জমা রাখলে প্র্যাকটিস করার সুযোগ থাকবে না।রাজ্য শুটিং সংস্থার শীর্ষ কর্তা দেবদূত মুখার্জি বলেন, "এখন আদালতেও কর্মবিরতি চলছে। তবে আমরা দ্রুত বিষয়টি আইনি পথে সমাধানের আশায় আছি।''