আল্লু অর্জুন অভিনীত আসন্ন ছবি 'রাকা' রিলিজের আগেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস জিতে নিয়েছে। একসঙ্গে ৩৭ জন শিল্পীকে মোশন-ক্যাপচার করে এই অসামান্য রেকর্ড গড়া হয়েছে। সম্প্রতি আল্লু অর্জুন এবং পরিচালক অ্যাটলির হাতে এই বিশ্বরেকর্ডের স্বীকৃতি তুলে দেওয়া হয়।
আল্লু অর্জুন অভিনীত আপকামিং ছবি 'রাকা' রিলিজের আগেই বড়সড় চমক দিল। এই ছবি “মোস্ট পিপল মোশন-ক্যাপচারড ইন রিয়েল-টাইম” ক্যাটেগরিতে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস জিতে নিয়েছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একসঙ্গে ৩৭ জন শিল্পীকে মোশন-ক্যাপচার করে এই রেকর্ড গড়া হয়। এই সাফল্য বুঝিয়ে দিচ্ছে ছবিতে কতটা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বড় মাপের টেকনোলজিক্যাল ফিল্মমেকিংয়ে ভারতীয় সিনেমার এই অগ্রগতি সত্যিই একটা দারুণ ব্যাপার।
আল্লু অর্জুন ও পরিচালকের হাতে গিনেস সার্টিফিকেট
ফেব্রুয়ারিতে এই রেকর্ড তৈরি হলেও, ২০২৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এর স্বীকৃতি মেলে। মূল অভিনেতা আল্লু অর্জুন এবং পরিচালক ভি. অরুণকুমার (যাঁকে সবাই অ্যাটলি নামেই চেনেন)-এর হাতে একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠানে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সিনিয়র অ্যাডজুডিকেটর স্বপ্নিল দাঙ্গরিকার এই সার্টিফিকেট তুলে দেন। সেসময় ছবির অন্যান্য কলাকুশলীরাও উপস্থিত ছিলেন। এই স্বীকৃতির ফলে বিশ্বমঞ্চে 'রাকা' টিমের সাফল্য পাকাপাকিভাবে মোহর পেল।
টিমের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত আল্লু অর্জুন
এই রেকর্ড নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আল্লু অর্জুন জানান, 'রাকা' টিমের সবার জন্যই এটা একটা গর্বের মুহূর্ত। তিনি বলেন, এই সাফল্য সিনেমার সীমানাকে আরও বাড়িয়ে দিল এবং আন্তর্জাতিক স্তরে একটা নতুন বেঞ্চমার্ক তৈরি করল।
এই সুপারস্টার টিমের পরিশ্রমকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকেও ধন্যবাদ জানান। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর বিশাল বাজেটের এই ছবি এখন শুধু স্টার কাস্টের জন্যই নয়, বরং ক্যামেরার পেছনের দুর্দান্ত ফিল্মমেকিং টেকনিকের জন্যও সবার নজর কাড়ছে।
