‘বিগ বস বাংলা’র ‘দাদার দরবার’-এ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এদিন অঝোরে কাঁদতে দেখা যায় গায়ক দুর্নিবার সাহাকে। পাশাপাশি, কে ঘর ছাড়ল এদিন?

‘বিগ বস বাংলা’য় রবিবার মানেই ‘দাদার দরবার’। সপ্তাহভর দুর্গে প্রতিযোগীদের নানা কাণ্ডকারখানার খতিয়ান নিয়ে হাজির হন সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কারও ভাগ্যে জোটে প্রশংসা, আবার কারও কপালে থাকে ধমক। তবে এদিনের পর্বে ছিল একের পর এক চমক। সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর, এ সপ্তাহে কোনও প্রতিযোগীকেই দুর্গ ছাড়তে হল না।

এলিমিনেশন ঘিরে আগে থেকেই জল্পনা চলছিল। দুর্নিবার সাহা, ভরত কল এবং নন্দিনী দত্ত—এই তিন প্রতিযোগীর মধ্যে কে এ সপ্তাহে ‘বিগ বস বাংলা’র দুর্গ ছেড়ে বেরিয়ে যাবেন, তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ছিল কৌতূহল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনজনই টিকে গেলেন। অর্থাৎ, এ সপ্তাহে কোনও এভিকশন হল না। তবে শুধু এভিকশন না হওয়াই নয়, এদিনের ‘দাদার দরবার’-এর অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের ‘ইন্ডাস্ট্রি’ তথা বুম্বা দা। আর তাঁকে দেখেই আবেগ সামলাতে পারলেন না দুর্নিবার সাহা।

প্রসেনজিতকে সামনে দেখেই অঝোরে কাঁদতে শুরু করেন গায়ক। আসলে দুর্নিবারের স্ত্রী মোহর প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক। সেই সম্পর্কের সূত্রেই অভিনেতাকে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন দুর্নিবার। মুহূর্তেই আবেগঘন হয়ে ওঠে ‘দাদার দরবার’-এর পরিবেশ। এরপর প্রতিযোগীদের জন্য বিশেষ টাস্কও নিয়ে হাজির হন প্রসেনজিৎ। পাশাপাশি তাঁদের জন্য মিষ্টি দই এনেছেন বলেও জানান তিনি। ফলে এদিনের পর্বে প্রতিযোগীদের জন্য ছিল কাজের পাশাপাশি তারকার সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগও।

প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় মঞ্চ ছাড়ার পরই অবশ্য ফের নিজের ছন্দে ফিরে আসে ‘দাদার দরবার’। এদিন বিশেষভাবে নজর কাড়েন ‘লাফটারসেন’ নিরঞ্জন মণ্ডল। তাঁর সাহসিকতার প্রশংসা করেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। নিরঞ্জনের সাহসকে কুর্নিশ জানিয়ে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেন ‘দাদা’। সব মিলিয়ে এদিনের ‘দাদার দরবার’ ছিল আবেগ, তারকার উপস্থিতি, প্রশংসা এবং স্বস্তির খবর—সব মিলিয়ে জমজমাট। একদিকে যেমন প্রসেনজিৎকে দেখে আবেগে ভেঙে পড়লেন দুর্নিবার, তেমনই অন্যদিকে এ সপ্তাহে কোনও এভিকশন না হওয়ায় স্বস্তি পেলেন তিন প্রতিযোগীই।