পরিচালক অভিনব কাশ্যপের মন্তব্যের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করেন সলমন খান। সেই মামলায় বাক স্বাধীনতার নামে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা যায় না বলে পর্যবেক্ষণ করে আদালত অভিনব-সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। 

ফের খবরে সলমন খান। তবে, নতুন কোনও ছবির খবর নয় বরং এক মামলা নিয়ে সামনে এলের অভিনেতা। বাক স্বাধীনতার নামে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ বা গালিগালাজ করা যায় না- এই পর্যবেক্ষণ থেকেই সলমন খানের করা মানহানি মামলায় বড় নির্দেশ দিল আদালত। পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপের ভাই অভিনব কাশ্যপ-সহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সলমন ও তার পরিবার নিয়ে করা অভিনবের মন্তব্যে জেরে তারা আইনি পথে হাঁটেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রকাশ্যে আসা তথ্য অনুসারে, অভিনব কাশ্যপ, কোমল মেহরু, খুশনু হাজারে এবং বেশ কিছু সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন সলমন। অভিনেতার আইনজীবী প্রদীপ গান্ধী জানান, অভিনব কাশ্যপ যে ধরনের মিথ্যা এবং মানহানিকর বায়ান দিয়েছেন তা সলমনের ভাবমূর্তির ব্যাপক ক্ষতি করেছে। ৯ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।

সদ্য এক সাক্ষাৎকারে সলমনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, সলমন অভিনয়ের প্রতি আগ্রহী নন, গত ২৫ বছর ধরেই তিনি অভিনয়ের চেয়ে নিজের সেলিব্রিটি ইমেজ আর ক্ষমতা জাহির করতেই ব্যস্ত। তিনি একজন গুণ্ডা।…. সলমন খান বলিউডের স্টার সিস্টেম-র জনক। তাঁরা অত্যন্ত প্রতিহিংসাপরায়ণ। পুরো সিস্টেমটা তাঁরা নিয়ন্ত্রণ করেন। কেউ তাঁদের অবাধ্য বলে তাঁরা তাঁর পেছনে পড়ে যান। এই মন্তব্যের পরই ভাইরাল হয় সেই সাক্ষাতকার। শেষ পর্যন্ত শুরু হয় আইনি কাদা ছোড়াছুড়ি। অবশেষে তা থামল বলে মনে করছেন সকলে।

প্রসঙ্গত অভিনব কাশ্যপের চলচ্চিত্র জীবনের শুরু প্রায় এক দশকেরও বেশি আগে। লেখক হিসেবে জং বা যুবা-র মতো ছবিতে কাজ করেন। তারপর মনোরমা সিক্স ফিট আন্ডার এবং ১৩বি-র মতো ছবির সংলাপ লেখেন। ২০১০ সালে দাবাং ছবির মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে হাতেখড়ি।