শুভ মহরত থেকেই গুমনামী ছবি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ ছিল তুঙ্গে। শুধু দর্শকেরাই নয়, সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছবি নিয়ে প্রশ্ন তুলে ছিলেন নেটিজেনরাও। এই ছবিতে সুভাষচন্দ্র বসুকে কতটা গুমনামী হিসেবে তুলে ধরা হবে সেই দিকেই সকলের ছিল কড়া নজর। তবে ছবি মুক্তির পরই তা রমরমিয়ে চলতে থাকে প্রেক্ষাগৃহে। 

একাধিক প্রশ্ন এই ছবিতে ঘিরে তৈরি হলেও অবশেষে একটাই উপসংহার তৈরি হয়, পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এই ছবিতে মুখার্জি কমিশনকে খুব যত্ন করে তুলে ধরতে চেয়েছেন। কিন্তু তাতে কতটা ঠিক কতটা ভূল তা নিয়ে চুলচেরা বিচার না করে সাধারণ মানুষ ছবিকে উপভোগ করছেন, এটাই মূল বক্তব্য ছিল পরিচালকের। 

২ অক্টোবর ছবি মুক্তির পরই নানা রিভিউ ছড়িয়ে পড়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু এক কথায় সকলেই বলেছিল অনবদ্য সৃজিতের পরিচালনা এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়। সম্প্রতি এই ছবি মুক্তি পেয়েছে সারা দেশে হিন্দি ভাষায়। এবার দেশের গণ্ডি পেড়িয়ে এই ছবি পাড়ি দেবে নিউইয়র্কে। 

 

 

মুক্তির মাত্র কুড়িদিনের মাথায় দক্ষিণ এশিয়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব-এ নাম লেখাল এই ছবি। ১৫তম বর্ষে পা দিল এই চলচ্চিত্র উৎসব। নভেম্বর মাসেই দেখানো হবে এই ছবি। ২০ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত চলবে এই চলচ্চিত্র উৎসব। খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ল শুভেচ্ছা বার্তা।