অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত অতিরিক্ত পিত্তের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে একটি বিশেষ ডায়েট অনুসরণ করেন। তিনি ভেজানো কিশমিশ দিয়ে দিন শুরু করেন এবং খাবারে লেবুর রস যোগ করে অ্যাসিডিটি কমান। আপনিও যদি এই সমস্যায় ভোগেন, তাহলে তাঁর ডায়েট থেকে টিপস নিতে পারেন।

২৩ মার্চ ৪০ বছরে পা দিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। স্পষ্ট কথা আর ফিটনেসের জন্য তিনি বরাবরই চর্চায় থাকেন। শরীর ঠিক রাখতে নিজের খাওয়াদাওয়ার দিকে কড়া নজর রাখেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ডায়েটে মূলত ভারতীয় খাবারই থাকে। একটি ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন যে তাঁর অতিরিক্ত পিত্তের সমস্যা রয়েছে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এটিকে এক ধরনের সমস্যা হিসেবে দেখা হয়, যা অ্যাসিডিটি এবং হজমের গন্ডগোলের সঙ্গে যুক্ত। আপনিও যদি গ্যাস, অম্বল বা অতিরিক্ত পিত্তের সমস্যায় জেরবার হন, তাহলে কঙ্গনার ডায়েট থেকে কিছু টিপস নিতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কঙ্গনা রানাওয়াত ঠিক কী ধরনের খাবার খান।

ভেজানো কিশমিশ আর জল দিয়েই অ্যাসিডিটি কন্ট্রোল করেন

কঙ্গনা তাঁর দিন শুরু করেন এক গ্লাস জল দিয়ে। যাঁদের পিত্তের সমস্যা বেশি, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরেই তাঁদের শরীরে অনেকটা অ্যাসিড তৈরি হয়। এই অ্যাসিডকে শান্ত করা খুব জরুরি। এর জন্য অভিনেত্রী রোজ সকালে হালকা গরম জলে মধু মিশিয়ে খান। এরপর চায়ের সঙ্গে ভেজানো কিশমিশ আর বাদাম খান। চায়ের অ্যাসিডিটি কমাতে ভেজানো কিশমিশ খুব সাহায্য করে। এতে শরীরের অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ব্রেকফাস্টে খান ফল

কঙ্গনা ব্রেকফাস্টে কোনও রান্না করা খাবার খেতে পছন্দ করেন না। তিনি জলখাবারে মরসুমি ফল যেমন আপেল, আম, বেদানা ইত্যাদি খেতেই ভালোবাসেন। কঙ্গনার মতে, যদি আপনার শরীরে বেশি ক্যালোরির প্রয়োজন হয় বা আপনি বেশি খাটনির কাজ করেন, তাহলে শুধু ফল খাওয়া ঠিক নয়। সেক্ষেত্রে খাবারের তালিকায় ফাইবার আর প্রোটিনযুক্ত খাবারও রাখা উচিত।

এইভাবে খাবারকে অ্যালকালাইন বানান

কঙ্গনা রানাওয়াতের দুপুরের খাবার বেশ সাধারণ এবং যাঁরা অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের জন্য এটা একটা দারুণ অপশন। কঙ্গনা দুপুরে ডাল, সবজি আর ভাত খেতে পছন্দ করেন। তবে তাঁর পকোড়া আর কঢ়িও খুব পছন্দের। কঙ্গনা আগেই জানিয়েছেন যে মহারাষ্ট্রের জনপ্রিয় পমফ্রেট মাছের কারি আর মাছ ভাজাও তাঁর খুব ভালো লাগে। অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঙ্গনা ডাল আর সবজির ওপর লেবুর রস চিপে নেন। লেবু স্বাদে টক হলেও, হজম হওয়ার পর শরীরে ক্ষারীয় (alkaline) প্রভাব ফেলে। এছাড়া, খাবারের সঙ্গে দই খেতেও তিনি খুব ভালোবাসেন।