Honey Singh: পঞ্জাবকে ড্রাগমুক্ত করতে বিজেপির দ্বারস্থ হলেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী তথা পপ তারকা ইয়ো ইয়ো হানি সিং (ভাল নাম হীরদেশ সিং)। পঞ্জাব ভোটের আগে হানি সিং-য়ের বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
Honey Singh: পঞ্জাবকে ড্রাগমুক্ত করতে বিজেপির দ্বারস্থ হলেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী তথা পপ তারকা ইয়ো ইয়ো হানি সিং (ভাল নাম হীরদেশ সিং)। আর এরপরেই শুরু হয়েছে ইয়ো ইয়ো-র রাজনীতিতে যোগদান নিয়ে চর্চা। পঞ্জাব ভোটের আগে হানি সিং-য়ের বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। পঞ্জাবে মাদক সমস্যা নিয়ে হানি সিং দেখা করলেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘ (Tarun Chugh)–এর সঙ্গে। সেই বৈঠকে উঠে আসে পঞ্জাবে ক্রমবর্ধমান মাদকাসক্তির সমস্যা এবং তা থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখার উপায়।

আগামী বছর পঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচন
প্রসঙ্গত, আগামী বছর পঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আম আদমি পার্টি থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন পঞ্জাবের রাজ্যসভার সাংসদ রাঘব চাড্ডা। দেশের প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার হরভজন সিংও আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পথে। এবারও হানি সিংও সেই পথেই পদ্মে যোগ দেন কি না সেটাই দেখার। পশ্চিমবঙ্গের পর এবার পঞ্জাবে ক্ষমতায় আসতে মরিয়া বিজেপি।
হানি সিংয়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়ে জল্পনা
বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে হানি সিং স্পষ্টভাবে জানান যে মাদকের প্রভাব পঞ্জাবের বহু পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং যুবসমাজের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলছে। তাঁর বক্তব্য, এই পরিস্থিতি থেকে পঞ্জাবকে বের করে আনা জরুরি। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাদক শুধু ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক সংকটও তৈরি করছে। অন্যদিকে তরুণ চুঘ বৈঠকে হানি সিংকে 'পঞ্জাবের সন্তান' বলে উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, হানি সিং নিজের প্রতিভা ও সঙ্গীতের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিতি তৈরি করেছেন। সেই কারণেই যুবসমাজের উপর তাঁর প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। চুঘের আবেদন ছিল, গানের মাধ্যমে এবং নিজের বক্তব্যে তরুণদের মাদক থেকে দূরে থাকার বার্তা দিন হানি সিং।
দেখুন ভিডিও
পঞ্জাবে মাদকের সমস্যা নিয়ে চিন্তিত হানি সিং
এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন গায়ক। তিনি জানান, পঞ্জাবকে মাদকের সমস্যা থেকে বের করে আনতে সচেতনতা গড়ে তুলতে তিনি পাশে থাকতে চান। যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে ফেরাতে নিজের জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করার কথাও জানান তিনি। পঞ্জাবের মতো রাজ্যে মাদক সমস্যা দীর্ঘদিনের হওয়ায় এই ধরনের বার্তা আরও বেশি গুরুত্ব পেতে পারে। বহু পরিবার ইতিমধ্যেই এই সমস্যার প্রভাব অনুভব করেছে এবং পুনর্বাসন ও সচেতনতা নিয়ে আলোচনাও নতুন করে সামনে এসেছে।
ব্যক্তিগত সংগ্রামের কথা জানালেন হানি সিং
উল্লেখযোগ্যভাবে, অতীতে নিজের ব্যক্তিগত সংগ্রাম এবং ঘুরে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রকাশ্যে কথা বলেছেন হানি সিং। সেই কারণেই অনেকের মতে, তাঁর বার্তা মাদকাসক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে চাওয়া তরুণদের কাছে আলাদা গুরুত্ব পেতে পারে। এই বৈঠকের পর সামাজিক মাধ্যমেও শুরু হয়েছে আলোচনা। অনেকেই মনে করছেন, সঙ্গীত, জনপ্রিয়তা এবং জনসচেতনতা,এই তিনের সমন্বয়ে যদি ইতিবাচক উদ্যোগ তৈরি হয়, তবে তা পঞ্জাবের যুবসমাজের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।


