সদ্য যাদবপুর কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন মিমি চক্রবর্তী। নব নির্বাচিত সাংসদ দিল্লির সংসদ থেকেও ঘুরে এসেছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ভোটের প্রচারে রীতিমতো দুর্বল হয়ে  পড়েছেন মিমি। নিজেই ব্লাড প্রেশার লো হয়ে যাওয়ার কথা ইনস্টাগ্রামে স্টোরিতে পোস্ট করে জানান। এবারে ফলোয়ারদের কাছে খাওয়া দাওয়ার বিষয়েই একটি পরামর্শ চাইলেন মিমি। 

মিমি বললেন, "যেদিন থেকে দেখেছি কী বীভৎস ভাবে  মুরগি কাটা হয় এবং কীভাবে একটা খাঁচার মধ্যে মুরগিগুলিকে  আটকে রাখা হয়, আমি আর চিকেন খেতে পারছি না। আমার চার পাশের লোক জন বলছেন, আমি হঠাৎ করে নিরামিষাশী হয়ে গেলে যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন পাব না। কিন্তু আমি বিষয়টা ভাবছি... আপনারা কিছু পরামর্শ দিন নিরামিষাশী হয়ে যাওয়া উচিত কি না।"

মিমির এই ইনস্টাগ্রাম স্টোরি পোস্টটিতে ফলোয়াররা হ্যাঁ অথবা না-এ উত্তর দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। 

প্রসঙ্গত, বুধবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন মিমি, তাঁর ব্লাড প্রেশার লেভেল অনেকটাই কমে গিয়েছে। দেখা যাচ্ছে মিমির ব্লাড প্রেশার ৯২ ৫৯, যা স্বাভাবিকের থেকে বেশ খানিকটা কম। ছবিটিতে ক্য়াপশনে তিনি লিখেছেন, "ফিলিং লো আই মিন লিটেরালি (লো বিপি)।" 

উল্লেখ্য,  সম্প্রতি দিল্লির সংসদ ভবন থেকে প্রথম বারের জন্য ঘুরে এলেন মিমি চক্রবর্তী।  সেখানে গিয়ে সংসদ ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন মিমি। সাদা শার্ট, ব্লু জিন্স, পায়ে স্নিকার্স আর চোখে রোদ চশমা দিয়ে সংসদ ভবনের সামনে ছবি তোলেন তারকা সাংসদ। ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, "সংসদ ভবনে প্রথম দিন। আমাকে আশীর্বাদ করুন ও সমর্থন করে যান।"

কিন্তু এই ছবি পোস্ট করার পরেই তাঁকে নিয়ে শুরু হয় ট্রোল। একদল নেটিজেন প্রশ্ন তোলেন, সংসদ ভবনটা কি পোজ দিয়ে ছবি তোলার জায়গা। কেন পশ্চিমী পোশাক পরে সংসদ ভবনে গিয়েছেন মিমি। একই রকম ট্রোলিং-এর শিকার হতে হয় বসিরহাট  থেকে নির্বাচিত সাংসদ নুসরত জাহানকেও। 

মজার বিষয়, দুজিনের মাথায়ই বিজেপি থেকে নির্বাচিত সাংসদ গৌতম গম্ভীরও সংসদের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। তিনিও জিন্স ও টি শার্টেই উপস্থিত হন সেখানে। কিন্তু তাঁকে কোনও রকম ট্রোলিং-এর শিকার হতে হয়নি।