বাঙালির শ্রেষ্ঠ পুজো দূর্গাপুজো। এই পুজোয় সকলেই আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করলেও, তাঁর নিয়ম রীতিতে কোথাও কোনও খামতি থাকে না। তবে বর্তমানে এই পুজো ছাপিয়ে গিয়েছে শহরের চৌহদ্দি। পরিণত হয়েছে শিল্পে। তবুও মনের কোনে আজও রয়েগিয়েছে অষ্টমীর পুষ্পাঞ্জলি, ষষ্ঠীর নিরামিশ, দশমীর সিঁদুর খেলা কিংবা নবমীর কুমারী পুজো।

দেবীপক্ষের সূচনায় অশুভ শক্তির বিনাস, নারী শক্তির জাগরণের এই সময় সকলের মঙ্ল কামনায় মেতে ওঠেন গোটা শহরবাসী। পরিবার থেকে পরিজন, বন্ধু-বান্ধবী, সকলেই যেন একটা বছর ভালো থাকে। বিপদের কোনও আঁচ যেন কারুর গায়ে না লাগে। 

তবে সাংসদরে ক্ষেত্রে দায় আরও একটু বেশি। কেবলই পরিবার-পরিজন নয়। বরং তাঁদের ছাপিয়ে গিয়ে ভাবা গোটা অঞ্চলের কথা। সেই তালিকায় এবার নাম লিখিয়েছেন মিমি চক্রবর্তী। তাই দেবীবন্দনা দিয়েই তিনি শুরু করে দিলেন দেবীপক্ষ। বাড়িতেই চতুর্থীতে পুজোয় বসলেন তিনি, সকলের মঙ্গল কামনা করে শুভ সূচনাই যেন হয়।

 

 

এদিন যেন অন্যলুকে ধরা দিলেন মিমি চক্রবর্তী। পরণে সাদা কুর্তি, হোমে আহুতি দেওয়ার ছবি শেয়ার করে নিলেন সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায়। আর মুহুর্তে সেই ছবি দেখে ভক্তদের মনে বেজায় আনন্দ। কেবল ভক্ত নয়, সকলের মঙ্গল কামনায় যখন ব্যস্ত সাংসদ, সেই ছবি দেখে যাদবপুর এলাকার মানুষও এক কথায় মুগ্ধ।