অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা প্যারিসে ছুটি কাটানোর সময় শ্রাবণের শেষ সোমবারে অপ্রত্যাশিতভাবে কানাপতি মন্দির দর্শন করেন। ইনস্টাগ্রামে এই অভিজ্ঞতাকে 'দৈব' বলে বর্ণনা করে তিনি জানান, এই সফর তাঁর প্যারিস ভ্রমণকে আরও মধুর করে তুলেছে।

অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা সম্প্রতি প্যারিসে ঘুরতে গিয়েছিলেন। আর সেখানেই শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবারে আচমকা পৌঁছে যান কানাপতি মন্দিরে। এই অভিজ্ঞতাকে তিনি এক 'দৈব' ও অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইনস্টাগ্রামে মন্দিরের ছবি শেয়ার করে প্রীতি জানান, শেষ মুহূর্তে মন্দিরে যাওয়ার পরিকল্পনাটি তাঁকে একেবারে অভিভূত করে দিয়েছে। তাঁর মনে হয়েছে, যেন এখানেই তাঁর আসার কথা ছিল। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, "কে ভেবেছিল যে শ্রাবণের শেষ সোমবারে আমি প্যারিসের সবচেয়ে সুন্দর ভারতীয় মন্দিরটায় যাব! এই শেষ মুহূর্তের প্ল্যানটা আমাকে অবাক করে দিয়েছে, কারণ আমার মনে হচ্ছিল যেন এখানেই আমার আসার কথা ছিল।"

এই মন্দির দর্শনের পর তাঁর বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে যে "ঈশ্বর আর এই বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের লীলা বোঝা বড় দায়," এবং এই অভিজ্ঞতার পর তাঁর প্যারিস সফর "অত্যন্ত মধুর" হয়ে উঠেছে। তিনি আরও লেখেন, "বাহ! ঈশ্বর আর এই বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের কাজ করার ধরণ সত্যিই অন্যরকম।"

প্রীতি তাঁর অনুরাগীদেরও প্যারিসে গেলে এই মন্দিরটি ঘুরে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, "প্যারিসে আমার এই ছোট্ট সফরটা মন্দির দর্শনের পর দারুণ মিষ্টি হয়ে উঠল। আপনারা যদি প্যারিসে থাকেন, তাহলে কানাপতি মন্দিরটা ঘুরে আসবেন। আমি নিশ্চিত, আমার মতো আপনাদেরও খুব ভালো লাগবে।"

এই অসাধারণ অভিজ্ঞতার জন্য প্রীতি তাঁর বান্ধবী শৈলজা স্বামীকে ধন্যবাদ জানাতেও ভোলেননি। তিনি লেখেন, "আমার প্রিয় @shailzaswami, আমাকে এখানে নিয়ে আসার জন্য এবং আমার সফরটা স্মরণীয় করে তোলার জন্য ধন্যবাদ। আমি মন খুলে হাসছি। টিং! হর হর মহাদেব।"

কাজের জগতে প্রীতি

এদিকে, কাজের ক্ষেত্রে প্রীতিকে সম্প্রতি 'বাটোয়ারা ১৯৪৭' ছবিতে দেখা যাচ্ছে। রাজকুমার সন্তোষীর পরিচালনায় এবং আমির খান প্রোডাকশনসের প্রযোজনায় এই ছবিতে সানি দেওল, প্রীতি জিন্টা, শাবানা আজমি, করণ দেওল, আলি ফজল এবং অভিমন্যু সিং-এর মতো অভিনেতারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ছবির গল্প এক পরিবারকে কেন্দ্র করে। হিংসা, ভয় এবং জোর করে দেশ ছাড়ার মতো ঘটনা কীভাবে একসঙ্গে বসবাসকারী সম্প্রদায়গুলির জীবন বদলে দিয়েছিল, সেটাই এই ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে। ছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন এ আর রহমান এবং গান লিখেছেন জাভেদ আখতার।