কী বললেন রাজা? আর কেনই বা নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে শ্বেতা ও সিজ়ান? জানুন বিস্তারিত….

কসৌটি জ়িন্দেগিকির প্রেরণার কথা মনে আছে? টেলিভিশন অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারিকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। শ্বেতা ও তাঁর প্রাক্তন স্বামী রাজা চৌধরীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে ফের নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজা তাঁদের অতীত দাম্পত্য জীবন নিয়ে একাধিক দাবি করেছেন এবং অভিনেতা সিজ়ান খানের নামও উল্লেখ করেছেন।

রাজার জানিয়েছেন যে, একসময় তিনি সিজ়ানকে সরাসরি প্রশ্ন করেছিলেন, “তুমি কেন আমার সংসার ভাঙছ?” তাঁর কথায়, উত্তরে সিজ়ান নাকি বলেছিলেন, “কোন সংসার? ও তো কখনও তোমার সঙ্গে থাকে না।”

এছাড়াও রাজা অভিযোগ করেন, বিবাহিত জীবনে শ্বেতা তাঁকে একাধিকবার ভুল তথ্য দিতেন। তাঁর দাবি, শ্বেতা অনেক সময় বলতেন যে তিনি শুটিংয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু পরে জানা যেত তিনি অন্য শহরে কোনও অনুষ্ঠানে গিয়েছেন। এমনকি রাজা আরও বলেন, কয়েকবার তিনি নিজে সেই জায়গায় গিয়েছিলেন, যেখানে শ্বেতা শুটিংয়ের কথা জানিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে তিনি নাকি দেখেন, শ্বেতা সিজ়ানের সঙ্গে রয়েছেন। রাজার ভাষ্য, “দু-তিন বার আমি নিজে সেখানে গিয়েছিলাম, যেখানে ও বলেছিল শুটিং হচ্ছে। পরে দেখি, ও সিজ়ানের সঙ্গে আছে। এটা আমি নিজের চোখে দেখেছি।”

তবে রাজার এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে শ্বেতা তিওয়ারি বা সিজ়ান খানের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক সময়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি। তাই এই দাবিগুলি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শ্বেতা তিওয়ারি ও রাজা চৌধরী। ২০০০ সালে তাঁদের কন্যা পলক তিওয়ারির জন্ম হয়। কিন্তু কয়েক বছরের মধ্যেই সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। শ্বেতা প্রকাশ্যে রাজার বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসা, মদ্যপান এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ আনেন। ২০০৭ সাল থেকে তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১২ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।

শ্বেতা–রাজার সম্পর্ক নিয়ে অতীতেও বহু বিতর্ক সামনে এসেছে। সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে রাজার নতুন দাবিগুলি সেই বিতর্ককে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। তবে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য সামনে না আসা পর্যন্ত বিষয়টি অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের পর্যায়েই বিবেচিত হচ্ছে।