প্রযোজক নমিত মালহোত্রা ও পরিচালক নীতেশ তিওয়ারির বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘রামায়ণ’-এর প্রথম টিজার মুক্তি পেয়েছে। এই টিজারে রাম রূপে রণবীর কাপুরের প্রথম ঝলক দেখা গেছে, যা দুর্দান্ত VFX এবং दमदार ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরের কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে। 

প্রযোজক নমিত মালহোত্রার মেগা ফিল্ম ‘রামায়ণ’-এর প্রথম টিজার সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে। নীতেশ তিওয়ারির পরিচালনায় এই ছবিতে রণবীর কাপুরকে ভগবান রামের চরিত্রে দেখা যাচ্ছে। ৫০০০ বছরের পুরনো এই কাহিনিকে আধুনিক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরা হচ্ছে। টিজারে দুর্দান্ত ভিজ্যুয়ালস, दमदार ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর এবং আন্তর্জাতিক মানের VFX দেখা গেছে, যা মুক্তির আগেই ছবিটিকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ছবিটি দুটি পর্বে মুক্তি পাবে।

বিশাল শুরু: ‘রাম’ রূপে রণবীরের বাজিমাত

এই প্রথমবার ‘রাম’ রূপে রণবীর কাপুর সামনে এলেন এবং তাঁর প্রথম ঝলকই ভক্তদের আবেগপ্রবণ করে তুলেছে। এই টিজার শুধু একটা ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশন নয়, বরং এটি একটি আবেগঘন অভিজ্ঞতা হয়ে উঠেছে। ৫০০০ বছরের পুরনো এই গল্প, যা সারা বিশ্বে শত শত রূপে বলা হয়েছে, তাকেই নতুন আঙ্গিকে দেখানো হচ্ছে এই ছবিতে। রামকে এমন একজন নায়ক হিসেবে দেখানো হয়েছে, যিনি তাঁর সিদ্ধান্ত এবং ত্যাগের জন্য পরিচিত।

পরিচালক-অভিনেতার ভাবনা: ‘আমি রামকে ফুটিয়ে তুলতে নয়, শিখতে এসেছি’

ছবিটি নিয়ে পরিচালক নীতেশ তিওয়ারি একটি অনুষ্ঠানে বলেন: “রামায়ণের মহত্ত্ব এর আবেগের গভীরতায় লুকিয়ে আছে। এটি শুধু ভালো-মন্দের লড়াই নয়, বরং আমাদের সিদ্ধান্ত এবং দায়িত্বের গল্প।” অন্যদিকে রণবীর কাপুর বলেন: “আমার মনে হয় না আমি এখানে রামকে ফুটিয়ে তুলতে এসেছি। আমি তো এখানে তাঁর থেকে শিখতে এসেছি। তাঁর সরলতা এবং পবিত্রতা বোঝা আমার জন্য এক বিনয়ী হওয়ার মতো অভিজ্ঞতা।”

‘রামায়ণ’-এর বিশাল বাজেট ও তারকা সমাহার: রাম বনাম রাবণের মহাসংগ্রাম

প্রায় ৪০০০ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি ‘রামায়ণ’-এ যশ-কে রাবণের ভূমিকায় দেখা যাবে। অন্যদিকে সাই পল্লবী (সীতা), সানি দেওল (হনুমান) এবং রবি দুবে (লক্ষ্মণ) গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন। DNEG এবং একটি আন্তর্জাতিক টিমের সহযোগিতায় ছবিটিকে বিশাল আকারে তৈরি করা হয়েছে। মিউজিকে হান্স জিমার এবং এ. আর. রহমানের জুটি এটিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। ছবিটি ২০২৬ এবং ২০২৭ সালের দিওয়ালিতে দুটি পর্বে মুক্তি পাবে, যা ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রজেক্ট বলে মনে করা হচ্ছে।