রানি মুখার্জির 'মর্দানি ৩' প্রেক্ষাগৃহে ৫৩ কোটি টাকার বেশি আয় করার পর এবার নেটফ্লিক্সেও নতুন রেকর্ড গড়েছে। ছবিটি টানা ৩০ দিন ধরে ট্রেন্ড করে দেশের একমাত্র সফল নারী-কেন্দ্রিক ফিল্ম ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে নিজের স্থান আরও মজবুত করেছে।
যশ রাজ ফিল্মসের প্রযোজনায় রানি মুখার্জির 'মর্দানি ৩' প্রেক্ষাগৃহে সাফল্যের পর এবার স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও ঝড় তুলেছে। ছবিটি নেটফ্লিক্সে টানা ৩০ দিন ধরে ট্রেন্ড করেছে, যা যেকোনো সিনেমার জন্য একটি বিরাট ব্যাপার।
নেটফ্লিক্সে ৩০ দিন ট্রেন্ডিং: 'মর্দানি' ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন রেকর্ড
ছবিটি নেটফ্লিক্সে টানা এক মাস ট্রেন্ড করে একটি নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। এই সাফল্য এটাই প্রমাণ করে যে 'মর্দানি' ফ্র্যাঞ্চাইজি দর্শকদের মধ্যে এখনও কতটা জনপ্রিয়। দেশের একমাত্র সফল নারী-কেন্দ্রিক ফিল্ম ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে এটি নিজের জায়গা আরও মজবুত করেছে।
বক্স অফিস কালেকশন: আয় ৫৩ কোটি টাকার বেশি
'মর্দানি ৩' ভারতে ৫৩ কোটি টাকার বেশি নেট কালেকশন করেছে। এর ফলে এটি এই ফ্র্যাঞ্চাইজির এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আয় করা ছবি হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয়, ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে ৫০ দিন পূর্ণ করেছে, যা আজকের দিনে বেশ বড় একটি সাফল্য।
প্রথম দিনে দুর্দান্ত শুরু
ছবিটি মুক্তির প্রথম দিনেই ৪ কোটি টাকা আয় করে। একটি নারী-প্রধান সিনেমার জন্য এই আয় যথেষ্ট ভালো বলে মনে করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং রানী মুখার্জির একক সিনেমার জন্য এটি সবচেয়ে বড় ওপেনিংয়ের রেকর্ডও গড়েছে।
রানি মুখার্জির আবেগঘন বার্তা: দর্শকদের সঙ্গে সংযোগই আসল সাফল্য
এই সাফল্যে রানি মুখার্জি জানান যে 'মর্দানি ৩'-এর যাত্রা তাঁর জন্য খুব বিশেষ এবং আবেগঘন ছিল। ছবিটি প্রথমে প্রেক্ষাগৃহে এবং এখন নেটফ্লিক্সে দর্শকদের সঙ্গে গভীর সংযোগ স্থাপন করেছে। তিনি বলেন, "এই সিনেমা নারী-কেন্দ্রিক অ্যাকশন ছবির ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন এনেছে। দর্শকরা এখন শক্তিশালী এবং উদ্দেশ্যমূলক গল্প পছন্দ করছেন।"
নারী-প্রধান সিনেমার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে
রানী আরও বলেন যে দর্শকরা এখন সাহস এবং বাস্তব সমস্যাভিত্তিক গল্পকে আপন করে নিচ্ছেন। 'মর্দানি ৩'-এর সাফল্য এটাই ইঙ্গিত দেয় যে ভালো গল্প এবং শক্তিশালী বার্তা সহ সিনেমা ব্যবসায়িক এবং সাংস্কৃতিক উভয় স্তরেই সফল হতে পারে।
শিবানী শিবাজী রায়: চরিত্রের ঊর্ধ্বে এক পরিচিতি
ছবির চরিত্র শিবানী শিবাজী রায় এখন আর শুধু একটি চরিত্র নয়, বরং দর্শকদের মনে গেঁথে গেছে। পুরো 'মর্দানি' ফ্র্যাঞ্চাইজির একসঙ্গে ট্রেন্ড করা এটাই প্রমাণ করে যে এই গল্প মানুষের সঙ্গে কতটা গভীরভাবে মিশে গেছে।
১২ বছরের সফল ফ্র্যাঞ্চাইজি: গল্প এবং প্রভাবের শক্তিশালী যাত্রা
গত ১২ বছরে 'মর্দানি' ফ্র্যাঞ্চাইজি একটি শক্তিশালী এবং সফল থিয়েট্রিক্যাল প্রপার্টি হয়ে উঠেছে। যে জনরাকে पारंपरिकভাবে পুরুষ তারকাদের দ্বারা চালিত বলে মনে করা হতো, সেখানে এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি সাফল্যের এক নতুন উদাহরণ তৈরি করেছে।
পরিচালনা ও নির্মাণ: শক্তিশালী টিমের অবদান
এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন অভিরাজ মিনাওয়ালা এবং প্রযোজনা করেছেন আদিত্য চোপড়া। ছবিটি তার প্রাসঙ্গিক সামাজিক গল্পের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেছে।
রানি মুখার্জির কেরিয়ারের বিশেষ সাফল্য
রানি মুখার্জি তাঁর কেরিয়ারের ৩০তম বছরেও একজন প্রধান নায়িকা হিসেবে এককভাবে হিট সিনেমা দিয়েছেন। এই সাফল্য ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর ধারাবাহিক জনপ্রিয়তা এবং বক্স অফিসে শক্তিশালী অবস্থানকেই তুলে ধরে।
'মর্দানি' সিরিজ: হিট সিনেমার হ্যাটট্রিক
'মর্দানি' সিরিজ পরপর তিনটি হিট সিনেমা দিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছে। এটি ভারতের একমাত্র সফল নারী-প্রধান এবং মহিলা-পুলিশ ফিল্ম ফ্র্যাঞ্চাইজি হয়ে উঠেছে।


