‘ধুরন্ধর’ ছবির সাফল্যের পর অভিনেতা রণবীর সিংহ নাগপুরে আরএসএস-এর সদর দফতরে যান। সেখানে তিনি সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন। এই সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

বক্সঅফিসে সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছে ‘ধুরন্ধর’ ছবির দু’টি অংশই। ভারতীয় গুপ্তচরের চরিত্রে রণবীর সিংহের অভিনয় যেমন দর্শকমহলে বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছে, তেমনই রাজনৈতিক মহলের একাংশ এই ছবিকে ‘প্রচারমূলক’ তকমাও দিয়েছে। এই আবহেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-এর সদর দফতরে অভিনেতার উপস্থিতি নতুন করে জল্পনা উসকে দিল।

সূত্রের খবর, সম্প্রতি নাগপুরে অবস্থিত আরএসএস-এর প্রধান কার্যালয়ে যান রণবীর। সেখানে সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টার একটি বৈঠক করেন তিনি। যদিও এই বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ খোলেনি।

জানা গিয়েছে, গত দু’দিন ধরে রণবীর ছিলেন গুজরাটের জামনগরে, যেখানে শিল্পপতি মুকেশ অম্বানীর পুত্র অনন্ত অম্বানীর ৩১তম জন্মদিনের উদ্‌যাপনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে মুম্বই ফিরে আসার পরই নাগপুরের উদ্দেশে রওনা দেন অভিনেতা।

শুক্রবার বিকেল প্রায় চারটে নাগাদ মুম্বই থেকে চার্টার্ড বিমানে নাগপুর পৌঁছন রণবীর। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি যান রেশিমবাগে অবস্থিত ‘হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দির’-এ। সেখানে আরএসএস প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান তিনি এবং কিছু সময় কাটান প্রাঙ্গণে।

এরপরই মোহন ভাগবত-সহ সঙ্ঘের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন অভিনেতা। প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক চলার পর রাত আটটা নাগাদ মুম্বই ফিরে যান রণবীর।

রাজনৈতিক মহলের মতে, ‘ধুরন্ধর’ ছবিকে ঘিরে যে ধরনের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া শাসকদল বিজেপির তরফে দেখা গিয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এই সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও এই বৈঠকের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি