নিখিল জৈনকে বিয়ে করে নতুন সংসার পেতেছেন নুসরত জাহান। এক কথায় বলতে গেলে একেবারে নতুন রূপেই প্রকাশ্যে এসেছেন তিনি। একদিকে যেমন পেশায় বিরাট বিবর্তন, তেমনই  সাজেও যেন এক অন্য নুসরতকে দেখা যাচ্ছে। বিয়ে করেই একমাথা সিঁদুর নিয়ে ক্যামেরার সামনে এসেছেন তিনি। ধর্মে নানা নিয়ম কানুনে নিজেকে আটকে না রেখে নুসরত সিঁদুরের সঙ্গে হাতে চূড়া পরে সংসদে এসেও শপথ গ্রহণ করেছেন। এর পরেই বহু সমালোচনার মুখে পড়তে হয় নুসরত জাহানকে। প্রশ্ন ওঠে, মুসলিম ধর্মের হয়েও কেন সিঁদুর পরছেন! তাহলে কি তিনি হিন্দু হয়ে গেলেন? 

সম্প্রতি এই বিষয়ে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নুসরত জাহান। তিনি বলেছেন, অনেকেই জিজ্ঞাসা করছেন আমি কি বিয়ে করে হিন্দু হয়ে গিয়েছি? আমার মনে হয়, কোন ধর্ম অনুসরণ করব সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার সকলের রয়েছে। আমি জন্মসূত্রে ইসলাম ধর্মের আর সেটাই অনুসরণ করছি। কিন্তু সব ধর্ম এবং তার নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাও রয়েছে আমার। আমি ও নিখিল দুজনেই আমাদের ধর্ম পালন করছি। এটাই তো স্বাভাবিক আমার মনে হয়।

এই সাক্ষাৎকারে নায়িকা তথা নবনির্বাচিত সাংসদ ট্রোলিং নিয়েও মুখ খোলেন। নুসরত বলেন, আমি যে কতবার ট্রোলড হয়েছি তার কোনও হিসেব নেই। কিন্তু ট্রোলিং ভালোবাসারই আর এক রকমের প্রকাশ। আসলে এসব মানুষ দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য করে। আর আমি জীবনে নেতিবাচক কিছুকে কখনো গুরুত্ব দিইনি। কাজই কেবল আমার হয়ে কথা বলবে
। 

এমনকী, সংসদে শপথ গ্রহণের দিন তিনি দরজায় প্রণাম করে ভিতরে ঢোকেন। এই নিয়েও কট্টরপন্থীরা অনেক প্রশ্ন তোলেন। এর উত্তরেও নায়িকা জানান তিনি স্কুল বা পরিবারে এমন শিক্ষাই ছোটবেলা থেকে পেয়ে এসেছেন। 

প্রসঙ্গত, লোকসভার প্রথম দিনই বসিরহাটের একটি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় খোলার দাবি করেন নুসরত জাহান।