প্রয়াত বলিউড অভিনেতা  ইরফান খান। বুধবার মুম্বইয়ের কোকিলাবেন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। অসুস্থ হয়ে মুম্বইয়ের কোকিলাবেন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ইরফান খান। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫৪। তাঁর এভাবে চলে যাওয়াতে  ফিল্ম জগতে শোকের ছায়া। অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত জানালেন ইরফান খানকে নিয়ে  তাঁর মনের কথা আমাদের সংবাদমাধ্য়মকে।

আরও পড়ুন, গর্ভধারিনীর মৃত্যুর পরেই ভর্তি হতে হয়েছিল আইসিইউতে, মা-ছেলের ফের দেখা হল জীবনের ওপারে

 ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত জানালেন,  জানি উনি অসুস্থ ছিলেন। কিন্তু এভাবে যে চলে যাবেন বুঝতে পারিনি। অনেক বড় ভক্ত এবং সিনেমার অনেক বড় জায়গায় তিনি ছিলেন। শুধু ভারতীয় সিনেমায় নয়, আন্তর্জাতিক সিনেমাতেও উনি বড় পদক্ষেপ রেখে গেছেন। কত বড়মাপের অভিনেতা ছিলেন, তা হয়তো তিনি নিজেই জানেন না। আমি ওনাকে ব্য়ক্তিগতভাবে চিনতাম এবং অনেক সময়ই আমরা কাজ নিয়ে আলোচনা করেছি। কিন্তু এইভাবে ওনার চলে যাওয়াটা তীব্র হৃদয়বিদায়ক, সেটা হয়তো মুখে বলে বোঝাতে পারবো না। তবে ভারতীয় তথা আন্তর্জাতিক ছবিতে তিনি যেভাবে আলাদা মাত্রা এনে দিয়েছিলেন সেটা কান ফিল্ম ফেস্টিভ্য়ালে বুঝেছিলাম, যখন সেখানে লাঞ্চ বক্স সমাদৃত হয়েছিল।  আমরা ওখানে আমাদের একটা সিনেমা নিয়ে যাওয়ার সূত্রে এই অভিজ্ঞতা হয়েছিল। তবে ইরফান কানের মত একজন অভিনেতা চলে যাওয়াতে পুরো ফিল্ম ফিটারনিটির জন্য একটা বড় ভ্য়াকুয়াম তৈরি হল।

আরও পড়ুন, 'বাবা আর নেই, কে সামলাবে দোকান', মায়ের থেকে কিছুটা সময় চেয়েছিলেন ইরফান

অপরদিকে তিনি করোনা পরিস্থিতি কথা ইঙ্গিত করে আরও জানালেন,  জানিনা কি বলব, আমরা অদ্ভুত এক দুঃসময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। জানিনা এর শেষ কোথায়। খুব বড় বড় ট্য়ালেন্ট এবং বড়বড় শিল্পিরা চলে যাচ্ছেন, এর থেকে দুঃখ্য়জনক আর কিছু নেই। আমি ওনার পুরো পরিবারের জন্য সমব্য়াথি। আমার ডিপ কন্ডোল্য়ান্স তাঁর পরিবারকে। ইরফান খান চিরকাল বেঁচে থাকবে আমাদের মধ্য়ে তাঁর কাজের মধ্য়ে দিয়ে।'এক ডক্টর কি মথ', একেবারে তাঁর শুরু ছবি থেকেই দেখেছি। একটা ছোট জায়গা থেকে আত্মপ্রকাশ করে যে বড় জায়গায় পৌছানো যায় তা ইরফান খানের দ্বারই সম্ভব। তিনি সত্য়িই একজন রিয়েল ফাইটার। শেষ দিন পর্যন্ত ফাইট করেই উনি চলে গেলেন। আমার মনে হয় ওনা অভিনীত সব ছবিই আমাদের হৃদয়েতে থেকে যাবে।