সোনু নিগম মুম্বাইয়ের আন্ধেরি ওয়েস্টে ১ কোটি টাকার বেশি খরচ করে একটি ২৫৮.৩৩ বর্গফুটের অফিস কিনেছেন। এই ছোট বিনিয়োগটি তাঁর বহুমুখী সম্পত্তি কৌশলের একটি অংশ, যার মধ্যে রয়েছে কারজাতে জমি বিক্রি এবং সান্তাক্রুজে বাণিজ্যিক সম্পত্তি লিজ নেওয়া।
প্লেব্যাক গায়ক সোনু নিগম আবার খবরে, তবে এবার গান নিয়ে নয়, সম্পত্তি কেনার জন্য। মুম্বাইয়ের জমজমাট এলাকা আন্ধেরি ওয়েস্টে তিনি ১ কোটি টাকা দিয়ে ২৫৮.৩৩ বর্গফুটের একটি অফিস কিনেছেন। এই বাণিজ্যিক জায়গার রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ২০২৬ সালের ৬ আগস্ট। লোখান্ডওয়ালা রোডের সুন্দরবন কমপ্লেক্সে এই নতুন অফিসটি কিনেছেন সোনু। এর জন্য স্ট্যাম্প ডিউটি বাবদ ৬ লক্ষ টাকা এবং রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে ৩০,০০০ টাকা দিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে তাঁর মোট খরচ হয়েছে ১.০৬ কোটি টাকা।
আন্ধেরিতে বিনিয়োগ এবং এর গুরুত্ব
এই ২৫৮.৩৩ বর্গফুটের ছোট্ট অফিসটি তিনি কিনেছেন সিঙ্গুলার হেলথ প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে। মুম্বাইয়ের আন্ধেরি ওয়েস্ট এলাকাকে বিনোদন জগতের প্রাণকেন্দ্র বলা হয়, অনেকটা আমাদের কলকাতার টালিগঞ্জের মতো। এখানে ফিল্ম স্টুডিও, মিউজিক প্রোডাকশন হাউস থেকে শুরু করে মিডিয়া সংস্থা, সবই রয়েছে। তাই সোনুর মতো একজন শিল্পীর জন্য এখানে বিনিয়োগ করাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটা পদক্ষেপ। আন্ধেরিতে এর আগেও বড় অফিস কিনলেও, এবারের এই ছোট জায়গাটি কেনার পিছনে নির্দিষ্ট কোনো ব্যবসায়িক পরিকল্পনা থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সোনুর বাড়তে থাকা সম্পত্তির তালিকা
সাম্প্রতিক সময়ে সোনু নিগমের এটিই একমাত্র সম্পত্তি কেনাবেচা নয়। এর থেকে তাঁর বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগ কৌশল সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়।
এর ঠিক কয়েক মাস আগে, ২০২৬ সালের মে মাসে, তিনি কারজাতে তাঁর ১.০৬৭ হেক্টরের একটি জমি ৯৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দেন। আবার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাঁর বাবা আগম কুমার নিগমও একটি বড়সড় বিনিয়োগ করেন। তিনি মুম্বাইয়ের মাধ আইল্যান্ডে ১০ কোটি টাকা দিয়ে ১,১৯৭ বর্গ মিটারের একটি জমি ও তার ওপর থাকা বাড়ি ও বাণিজ্যিক কাঠামো কেনেন।
২০২৫ সালেও তিনি বেশ সক্রিয় ছিলেন। সান্তাক্রুজ ইস্টে পাঁচ বছরের জন্য একটি বাণিজ্যিক সম্পত্তি লিজ নেন, যার মোট মূল্য ছিল ১২.৬১ কোটি টাকার বেশি। এর আগে, ২০২৩ সালের এপ্রিলে, সোনু আন্ধেরিতেই ১১.৩৭ কোটি টাকা দিয়ে মোট ৫,৫৪৭ বর্গফুটের দুটি বড় বাণিজ্যিক অফিস কিনেছিলেন। সেই তুলনায় এবারের ২৫৮.৩৩ বর্গফুটের অফিসটি বেশ ছোট, যা তাঁর বহুমুখী বিনিয়োগের দিকেই ইঙ্গিত দেয়।


