দুর্গাপুজো ও লক্ষ্মীপুজোর পরই টলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে সহকারী পরিচালক দীপঙ্কর সরকারের। তাঁর এই মর্মান্তিক পরিণতিতে পরিচালক পথিকৃৎ বসু থেকে শুরু করে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত শোকপ্রকাশ করেছেন।
দুর্গাপুজো ও লক্ষ্মীপুজো কাটাতেই টলিউডে নেমে এল শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন সহকারী পরিচালক দীপঙ্কর সরকার। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া টলি পাড়ায়। পরিচালক পথিকৃৎ বসুর একাধিক ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন দীপঙ্কর সরকার।
জিৎ অভিনীত কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত ছবিতেও যুক্ত ছিলেন তিনি। দীর্ঘদিনের পরিচিত সহকর্মীর এমন আকস্মিক পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না পথিকৃৎ। তিনি বলেন, দীপঙ্করের জীবনে এমন কী ঘটল, যার পরিণতি এতটা মর্মান্তিক হতে পারে, তা বুঝে উঠতে পারছেন না তিনি। বাইরে থেকে সব কিছু স্বাভাবিক বলেই মনে হয়েছিল। সে কারণে মৃত্যুর খবরে আরও ধাক্কা পেয়েছেন পরিচালক।
প্রসঙ্গত, নাকতলায় থাকতেন সহকারী পরিচালক দীপঙ্কর সরকার। পরিবারে রয়েছে স্ত্রী। কাজের প্রতি চিরকারলই নিষ্ঠা ছিল দীপঙ্করের। তাঁর প্রয়াণে স্তম্ভিত সকলে। সহকারী পরিচালক দীপঙ্কর সরকারের মৃত্যুর খবর সামনে আসতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন পোস্ট দেখা গিয়েছে। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বিশেষ পোস্ট করেছেন। তিনি দাবারু ছবির শ্যুটিং-র স্মৃতি ভাগ করে লিখেছেন, দীপঙ্করের মৃত্যুসংবাদ তাঁকে স্তম্ভিত করেছে। পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন অভিনেত্রীর।
পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র বিশেষ পোস্ট করেন। তিনি লিখেছেন, তার দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং কাজের অন্য়তম নির্ভরযোগ্য সঙ্গী। প্রায় কুড়ি বছরের বন্ধুত্বের পাশাপাশি দীর্ঘ ষোলো বছর একসঙ্গে কাজ করেছেন তারা। ‘কাকাবাবু’ সিরিজ থেকে চোরাবালি, অভিযাত্রিক, দেবী চৌধুরানী- একাধিক কাজে দীপঙ্কর তাঁর সঙ্গে লিখেছেন শুভ্রজিৎ। এছাড়াও বিএসএফের তথ্যচিত্র এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাজেও শুভ্রজিতের পাশে ছিলেন তিনি। পুজোর আগেও তাদের কথা হয়েছিল। ফলে এমন পরিণতির কথা কল্পনাও করতে পারছেন না পরিচালক। দীপঙ্কর কেন এমন একটা সিদ্ধান্ত নিলেন, সেই ধোঁয়াশা কাটার অপেক্ষায় তাঁর পরিবার, বন্ধু ও টলিউডের সহকর্মীরা।


