আলোচনা অমেক দিন ধেই চলছি। টেকনিক্যাল কমিটি আগেই প্রস্তাব দিয়ে রেখেছিল। শুধু প্রয়োজন ছিল ক্লাবগুলির সম্মতি। অবশেষে সিদ্ধান্ত হয়ে গেল পরের মরসুম থেকে আইলিগে কমতে চলেছে বিদেশি ফুটবলারের সংখ্যা। আই লিগের বিদেশি সংখ্যা কমানোর বিষয়ে অনলাইন বৈকে বসেছিল ফেডারেশন ও আইলিগের ক্লাগুলি। টেকনিক্যাল কমিটির প্রস্তাব এবং আই লিগের ক্লাবগুলির পরামর্শ মেনে ফেডারেশনের কার্যকরী কমিটি জানিয়ে দিল, ২০২০-২১ মরসুমে আইলিগে বিদেশির সংখ্যা কমানে হচ্ছে। কমে গিয়ে তা চার জনে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি এএফসি এও জানিয়ে দিয়েছে ৪ জন  বিদেশির মধ্যে একজনকে এশিয় কোটায় হবে। তবে খেলতে হবে ৪ জনকই। 

আরও পড়ুনঃফিরছে বুন্দেসলিগা,জেনে নিন ২০১৯-২০ মরসুমের লিগের সেরা ১০ গোলরক্ষক কারা

এদিন কার্যকরী কমিটির মিটিং থাকলেও ইস্টবেঙ্গল  নিয়ে সামান্য হলেও বিভ্রান্ত হয়ে পড়ছেন ফেডারেশন কর্তারা। ইস্টবেঙ্গল ঠিক কোথায় খেলতে চাইছে, আইএসএল না আই লিগ, সত্যিই বুঝতে পারছেন না তাঁরা। লাল–হলুদের শীর্ষকর্তা মুখে বলছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আইএসএল খেলার ব্যাপারটি দেখছেন, অথচ আই লিগ খেলার জন্য ফেডারেশন কর্তাদের সঙ্গে মিটিং করে আই লিগে বিদেশি কমানোর প্রস্তাব দিচ্ছেন। এই প্রথম নয়, দিন কয়েক আগেও আই লিগের বাকি ক্লাবগুলির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবও ফেডারেশন সচিব কুশল দাস এবং আই লিগের সিইও সুনন্দ ধরের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনায় বসে। যেখানে আই লিগের অন্যান্য ক্লাবগুলির মতো ইস্টবেঙ্গল প্রতিনিধিও মতামত দেন, ২০২০–২১ মরশুম থেকে আই লিগের বিদেশি কমিয়ে চারজন করে দিতে। ফলে ইষ্টবেঙ্গলের অবস্থান নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ফেডারেশন কর্তারা।

আরও পড়ুনঃঅর্জুন পুরষ্কারের জন্য বিসিসিআইয়ের সম্ভাব্য তালিকায় বুমরা ও ধওয়ানের নাম

আরও পড়ুনঃইষ্টবেঙ্গলের পাশে মুখ্যমন্ত্রী,আইএসএল খেলা নিয়ে এআইএফএফ প্রেসিডেন্টকে ফোন মমতার

আইলিগের বিদেশি কমানো নিয়ে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশি প্লেয়ারদের বেশি করে সুযোগ দিতে ও একইসঙ্গে দেশের ফুটবল ও ফুটবলারদের উন্নতির স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। পাশাপাশি পরের মরসুমে আইএসএলে খেলতে চলেছে মোহনবাগান। ইষ্টবেঙ্গল কর্তারা আইএসএলে খেলার দাবি জানালেও, এখনও নিশ্চিত কিছুই হয়নি। যদি ইষ্টবেঙ্গলও আইএসএলে খেলে তাহলে আইলিগের জনপ্রিয়তা আগে থেকে অনেকখানিই কমবে। সেক্ষেত্রে আইলিগকে তরুণ ফুটবলার তুলে আনা বা দেশের রিজার্ভ বেঞ্চ তৈরির করার মঞ্চ হিসেবেই ব্যবহার করতে চলেছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা।