দুটি দলই দু-বারের চ্যাম্পিয়ন। এটিকে চ্যাম্পিয়ন ২০১৪ ও ২০১৬ সালে। চেন্নাইয়ান এফসি চ্যাম্পিয়ন ২০১৫ ও ২০১৮ সালে। শনিবার গোয়ার ফাতোরদা স্টেডিয়ামে দর্শকশূন্য ফাইনালে তৃতীয়বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে ঝাঁপাতে চলেছে দুই দল। করোনা ভাইরাস আতঙ্কের জেরে এই প্রথম কোনও আইএসএল ফাইনাল হতে চলেছে দর্শকহীন মাঠে। যদিও ফাইনালের উত্তাপে তাতে কোনও খামতি নেই। মাঠের দর্শক বাড়তি অনুপ্রেরনা দিলেও, ট্রফি জয়ের ক্ষেত্রে এক অপরকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ  অ্যান্টোনিও লোপেজ হাবাস ও ওয়েন কোয়েলের দল।

 

 

আরও পড়ুনঃসতর্ক থাকুন, মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াইয়ের বার্তা বিরাটের

সেমিফাইনালে দুটি দলই দুরন্ত পারফর্ম করে ফাইনালে উঠেছে। ফাইনালে এডু গার্সিয়া, রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের ফর্ম ভরসা জোগাচ্ছে এটিকে কোচ হাবাসকে। রয় কৃষ্ণা ইতিমধ্যে টুর্নামেন্টে ১৫টি গোল করেছেন। গোল্ডেন বুট দখলের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন তিনি। তবে উইলিয়ামসও প্লে-অফে নিজের জাত চিনিয়েছেন। অপরদিকে, ভালস্কিস, ক্রিভেলারো, খেমব্রিদের উপর ভরসা রাখছে চেন্নাই কোচ কোয়েল। ফাইনালের আগে একে অপরকে সমীহ করছে দুই দল। চেন্নাই কোচ কোয়েল জানিয়েছেন, “এটিকে-কে সম্মান করতেই হবে। সেই দলে বেশ কিছু ফুটবলার আছে, তাদের সম্মান না জানিয়ে উপায় নেই। তবে আমরা একই ধারায় খেলে যেতে চাই। কারণ, আমরা জানি, এভাবে খেললে এটিকে-কে রুখে দেওয়া যাবে। সেই সঙ্গে এও আমাদের বিশ্বাস, যদি আমরা ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারি, তাহলে আমাদের হারানোর ক্ষমতা ওদের নেই।” অন্যদিকে এডু গার্সিয়া জাবনিয়েছেন, “আমি ছেলেদের বলেছি, তোমরা ম্যাচটাকে উপভোগ করো। চেষ্টা করো ম্যাচটা জিততে। তবে এও জানি, চেন্নাইয়িনকে হারানো সহজ নয়। ফাইনাল কিন্তু একটাই ম্যাচ। তাই সবাইকে হৃদয় দিয়ে খেলতে হবে। তাহলেই আমাদের পক্ষে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব।”

 

 

আরও পড়ুনঃ করোনার থাবায় স্তব্ধ ক্রীড়া বিশ্ব, চলছে শুধু 'খেলা ভাঙার খেলা'

ফাইনালের আগে দুটি দলকেই শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বলেছেন, “এর আগেও মুম্বইয়ে ফাইনাল দেখেছি। মাঠের পরিবেশটা দারুণ ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি অন্যরকম। তাই আশা করি সমস্ত ফুটবলপ্রেমীরা টিভির পর্দায় নজর রাখবেন। ব্যক্তিগতভাবে চাই এটিকে জিতুক। তবে আশা করি, যে ভাল খেলবে তারই জয় হবে।”

 

আরও পড়ুনঃ বন্ধু রোনাল্ডিনহোকে বাঁচাতে এগিয়ে এলেন মেসি, খরচ করছেন ৩৩ কোটি টাকা