গত মরসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে লজ্জার হারের মুখোমুখি হয়েছিল বার্সালোনা। লজ্জাজনক ৮-২ স্কোরলাইনে হারার পরে মেসির সাথে ক্লাব বার্সেলোনার সম্পর্ক যে বেশ বাজে জায়গায় পৌঁছে গেছে তা প্রকাশ্যে চলে আসে। ছয় বার ব্যালন ডি ওর জয়ী ফুটবলারের সাথে তিক্ততা বাড়ে বার্সেলোনার। এটাও স্পষ্ট হয়ে হয়েছিল যে মেসি ক্লাব ছাড়ার কথা ভাবছেন। তারপর অনেকটা সময় কেটেছে। মেসি চলতি মরসুমের জন্য ক্লাবে থেকেও গেছেন। তবে এই মুহূর্তে করোনার কারনে ক্লাব বার্সার আর্থিক অবস্থা সঙ্গীন।

বার্সেলোনা বরাবরই নিজের একাডেমির ফুটবলারদের প্রমোট করে এসেছে। কিন্তু শেষ পাঁচ বছরে তারা তাদের চিরাচরিত নিয়মের বাইরে গিয়ে বেশ কিছু ফুটবলারকে বিশাল অংকের টাকার বিনিময়ে কিনেছেন। মেসি ছাড়া তাদের বেতনের পেছনেও একটা বড়সড় অংকের টাকা বেরিয়ে যায় বার্সার। এরকম কয়েজকন হলেন কুটিনহো, ডেমবেলে, গ্রিয়েজম্যান ইত্যাদি। তো সেই  ফুটবলারদের বেতন না কমালে জানুয়ারিতে দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা। বেতন কমানোর ক্ষেত্রে মেসি-গ্রিজমানদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না তা আগেই জানিয়েছিলেন বার্সেলোনা পরিচালনা কমিটির প্রধানের দায়িত্বে থাকা কার্লেস তুসকেতস।

মেসিদের বেতন সংক্রান্ত ব্যাপারে কথা বলেছেন বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী টনি ফ্রেইজা।ফ্রেইজা জানিয়ে দিয়েছেন, মেসির বর্তমান বেতনে বার্সা তাকে ধরে রাখতে পারবে না। ক্লাবের আর্থিক অবস্থার দিকটি ভেবে মেসিকে বেতন কাটার সিদ্ধান্ত মানতেই হবে। বার্সা সভাপতির পদ ছেড়ে যাওয়ার আগে জোসেফ মারিয়া বার্থেমেউ রেখে গেছেন ৭০০ মিলিয়ন ইউরোর (প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা) ঋণ। ফলে ক্লাবের ফুটবলার এবং অন্যান্য সদস্যদের অন্তর্বর্তীকালীন বেতন কমানোর পরিকল্পনা করছে বার্সার অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড।