ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলা নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা। কোরোনা আবহে ফুটবল থমকে থামলেও, কোটি কোটি লাল-হলুদ সমর্থকরা একটাই খবর শোনার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন, যে এই মরসুমেই আইএসএলে খেলছে তাদের প্রিয় ক্লাব। ক্লাব কর্তৃপক্ষ এও পুরোপুরি নিশ্চিৎভাবে কোনও কিছু না জানাতে পারলেও, সমর্থকদের ধৈর্য ধরার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, আইএসএলে ইস্টবঙ্গলের খেলার সম্ভাবনা আগের থেকে অনেকটা বেড়েছে। কিন্তু আইএসএল খেলার জন্য চাই ইনভেস্টর। ২০০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি। কিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের এখনও পর্যন্ত কোনও স্পনসরই নেই। তবে নতুন স্পনসরের সঙ্গে কথা অনেকটাঅ এগিয়েছে বলেও দাবা করেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার।

আরও পড়ুনঃচ্যাম্পিয়ন্স লিগে করোনা ভাইরাসের থাবা, আক্রান্ত অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের দুই সদস্য

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেবব্রত সরকার ওরফে নীতু দা জানিয়েছেন, ‘আইএসএলের দরজা এখনও আমাদের জন্য দারুণভাবে খোলা রয়েছে। এর আগে আমরা ৫০ শতাংশ আত্মবিশ্বাস ছিলাম। কিন্তু এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে সম্ভাব্য বেশ কিছু স্পনসরের সঙ্গে আমাদের দর কষাকষি চলছে। আমরা আইএসএলের পথে এখন ৮০ শতাংশ পা বাড়িয়ে আছি। চূড়ান্ত আলোচনার মধ্যে রয়েছি আমরা। আসন্ন মরশুমে লক্ষ্যে পৌঁছনোর ব্যাপারে আমরা ভীষণ আশাবাদী। ‘দেবব্রত বাবু আরও বলেন, ‘অতিমারী পরিস্থিতির জন্য গোটা বিষয়টা বিলম্বিত হচ্ছে। আশা করি সমর্থকেরা সেটা বুঝবে। আমরা চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য সর্বোতভাবে চেষ্টা করছি এবং আশা করি শীঘ্রই ক্লাবের নতুন ইনভেস্টরের নাম ঘোষণা করা হবে।'

আরও পড়ুনঃ১৫ অগাস্ট মাঠে নামছেন এমএস ধোনি, আরবে যাওয়ার আগেই সিএসকের প্রস্তুতি শিবির

আরও পড়ুনঃরাম মন্দিরের ভূমিপুজোয় অভিনন্দন জানাতেই ধর্ষণ ও খুনের হুমকি, আতঙ্কে লালবাজারে হাসিন জাহান

যদিও এইএসডিএলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই মরসুমে তারা কোনও নতুন দল নেবে না। কিন্তু ফুটবল বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এফএসডিএল ভালকরেই জানে ঐতিহ্যের কলকাতার বড় ম্যাচই যদি অনুরাগীরা মিস করে যান তাহলে যে কোনও লিগই তার মাহাত্ম্য হারাবে। তাই মোহনবাগান এটিকে’র সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে আইএসএল খেলার জন্য তৈরি হওয়ার পর ইস্টবেঙ্গলের অন্তর্ভুক্তিও এফএসডিএল চাইবে। অন্ততপক্ষে বড় ম্যাচ সম্প্রচার করে মুনাফার কথা মাথায় রেখে। একইসঙ্গে ইস্টবেঙ্গল খেললে প্রতিযোগিতার ভিউয়ারশিপও অনেক গুন বেড়ে যাবে। ফলে সব দিক বিচার করেই এখনই আইএসএল খেলার বিষয়ে হাল ছাড়তে নারাজ ইস্টবেঙঙ্গল কর্তারা। সুখবরের অপেক্ষায় সমর্থকরা।