শেষ হয়েও হল না শেষ। রবিবার ছিল কলকাতা লিগের শেষ দিন। চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে থাকা ইস্টবেঙ্গল ও পিয়ারলেসের ম্যাচ একই সময়ে রেখেছিল আইএফএ। বারাসাতে সময় মত খেলা শুরু হলেও ইস্টবেঙ্গল মাঠে ম্যাচ শুরুই করা গেল না। কারণ বানের জল ঢুকে লাল হলুদের সদস্য গ্যালারীর দিকে তখন যেন বন্য পরিস্থিতি। বারবার ম্যাচ কমিশনার ও রেফারি পরিদর্শন করলেন মাঠ। কিন্তু অপেক্ষা করা ছাড়া তাদের হাতে আর কোনও উপায় ছিল না। 

আরও পড়ুন - পিএসজির জন্য জীবন দিতে পারি, ম্যাচ জিতেয়ে বলছেন নেইমার

অন্যদিকে তখন বারাসাত থেকে খবর আসছে পিয়ারলেস ক্রোমার জোড়া গোলে এগিয়ে গেছে। চাপ ক্রমশ বেড়ে চলেছে লাল হলুদ শিবিরে। দুপুর পৌনে চারটে নাগাদ ম্যাচ কমিশনার বিকাশ মুখোপাধ্যায় শেষবার রেফারিদের নিয়ে মাঠ পরিদর্শন করলেন। দুই শিবিরের সঙ্গে কথা বলে জানিয়ে দিলেন রবিবার খেলা সম্ভব নয়। এদিকে পিয়ারলেস তখন লিগের দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেছে। মাঠে থেকে ছবি তুলে আইএফএ কর্তাদের পাঠিয়ে দিলেন তিনি। খেলা বাতিল।

আরও পড়ুন - কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট রঙ্গ অব্যাহত ভারতীয় ক্রিকেটে, এবার পদ ছাড়লেন শান্তা রঙ্গস্বামী

এদিকে বারাসাত মাঠে আগাগোড়া দাপট নিয়ে ম্যাচ জিতে নিল পিয়ারলেস।  জর্জকে ২-০ গোলে হারাল তারা।১১ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট লিগ শেষ করল জহর দাসের দল। ইস্টবেঙ্গলও সমান পয়েন্টে পৌছে যেতে পারে। কিন্তু রবিবার পিয়ারলেস যে জোড়া গোলে ম্যাচ জিতেছে। তাদের গোল পার্থক্য এখন +১৩। ইস্টবেঙ্গল এক ম্যাচ কম খেলে +৭। তাই রবিবারের পন্ড হওয়া ম্যাচে লাল হলুদ যখন নামবে তখন তাদের অন্তত সাত গোলের ব্যবধানে ম্যাচ জিততে হবে। সবাই মনে করছেন এটা অসম্ভব। তাই কলকাতার ফুটবল মহল বলছে রবিবার ম্যাচ জিতে নতুন ইতিহাস লিখে ফেলেছে পিয়ারলেস। ৬১ বছর পর তিন প্রাধানের বাইরে যাচ্ছে কলকাতা লিগের খেতাব। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ না হওয়া পর্যন্ত ঘোষণা সম্ভব নয়। তাই একদিক থেকে দেখে যদি মনেও হয় সব শেষ, তখন অঙ্কের বিচারে বলতে হবে শেষ হয়েও হল না শেষ। 

আরও পড়ুন - খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্পে বাড়তি ৭.৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দ ভারত সরকারের