একদিকে করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক গোটা ময়দান জুড়ে। অপরদিকে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ময়দানের বটতলায় চলছে একটাই জল্পনা যে ইষ্টবেঙ্গল কি এবছর আইএসএল আদৌ খেলবে। কারণ ইতিমধ্যেই পড়শি ক্লাব চিরপ্রতীদ্বন্দ্বী মোহনবাগান এটিকে সঙ্গে যুক্ত হয়ে আইএসএলে খেলা নিশ্চিত করে পেলেছে। শুরু হয়ে গিয়েছে তাদের প্রস্তুতিও। সেখানে এখনও নিজেদের স্পনসর নিয়ে সমস্যাই এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি ইষ্টবেঙ্গল। যদিও ইষ্টবেঙ্গল কর্তারা সমর্থকদের আশ্বাসবাণী দিয়ে রেখেছে খুব শীঘ্রই আইএসএলের মঞ্চে দেখা যাবে তাদের প্রিয় ক্লাবকে। তবে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারশনের সচিবের মতে, তাড়াহুড়োর প্রয়োজন নেই। আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করেই নয়া লিগে আসুক ইস্টবেঙ্গল। প্রয়োজনে অপেক্ষা করুক আরও এক বছর।

আরও পড়ুনঃবিসিসিআইয়ের অন্তবর্তীকালীন সিইও নির্বাচিত হলেন হেমাঙ্গ আমিন

ভারতীয় ফুটবল সংক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গ চেম্বার অফ কমার্সের এক ওয়েবিনারে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলার প্রসঙ্গটি উত্থাপিত হতেই তাঁর মতামত পোষণ করলেন কুশল দাস। ইস্টবেঙ্গল আইএসএল যে খেলবেই এব্যাপারে কোনও দ্বিমত নেই। তবে সেটা আগামী মরশুমে না হলেও ২০২১-২২ মরশুমে। এমনই ইঙ্গিত রেখে ইস্টবেঙ্গলের উদ্দেশ্যে কুশল দাস জানিয়েছেন, ‘আইএসএল খেলতে গেলে একটা সুদূরপ্রসারী দৃষ্টি অবশ্যই প্রয়োজন এবং সঙ্গে যথোপযুক্ত পরিকাঠামো। এটিকে-মোহনবাগানের সংযুক্তিকরণের বিষয়টি চূড়ান্ত হতে ছ’মাস সময় লেগেছিল। তাই আমার মতে ইস্টবেঙ্গলের আর একবছর অপেক্ষা করে যাওয়া প্রয়োজন।কারণ আসন্ন মরশুমে ওরা আইএসএল না খেলতে পারলে আকাশ ভেঙে পড়বে না। ওদের পুরনো ইনভেস্টরদের সঙ্গে এখনও একটা সমস্যা রয়েছে। যদি তাঁরা সেইসব সমস্যা মিটিয়ে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে তাহলে তাঁদের স্বাগত।’

আরও পড়ুনঃবিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা ফাইনাল,ব্রিটিশদের বিশ্বজয়ের বর্ষপূর্তি

আরও পড়ুনঃ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনাল,সুপার ওভারের আগে সিগারেট ব্রেক নিয়েছিলেন বেন স্টোকস

সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারশনের সচিবের এই বক্তব্যের পরই শুরু হয়েছে নয়া জল্পনা। ইষ্টবেঙ্গল কর্তারা মুখে আইএসএল খেলার বিষয়ে আশ্বাসবাণী দিলেও, লাল-হলুদের আইএসএল মঞ্চে আবির্ভাব নিয়ে কী খোদ সংশয়ে রয়েছেন কুশল দাস। না তার কাছে কোনও আভাস রয়েছে ইষ্টবেঙ্গলরে ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে। একইসঙ্গে নতুন দল হিসেবে আইএসএল নথিভুক্ত হওয়া যে একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া সেই কথাও  বলেছেন কুশল দাস। ফলে ফেডারেশন সচিবের বক্তব্য শোনার পর অনেকটাই আশাহত হয়েছেন ইষ্টবেঙ্গল সমর্থকরা।