সময়টা মোটেই ভাল যাচ্ছে না জুভেন্টাস ফুটবল ক্লাবের। করোনা গ্রাসে গোটা ইতালি। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে দ্রুত গতিতে। ইতালির প্রথম ফুটবলার হিসেবেও প্রথম করোনা আক্রান্ত হন জুভেন্তাসের ডিফেন্ডার ড্যানিয়েল রুগানি। এরপরই করোনা রিপোর্ট পজেটিভ ধরা পড়ে ফরাসি বিশ্বকাপ জয়ী প্লেয়ার ও জুভেন্তাস মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা ব্লেইজ মাতুইদির। স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে চলে যান দলের সব থেকে বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও। দলের দুই প্লেয়ার করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর ঘুম উড়ে গিয়েছিল ক্লাব কর্তৃপক্ষের।  দলের সকল প্লেয়ার, কোচ থেকে সাপোর্টিং স্টাফ সকলকে রাখা হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষণে। এবার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে স্বেচ্ছায় নিজেকে গৃহবন্দি করলেন মাউরিজিও  সারি। 

আরও পড়ুনঃস্পেনে ফিরেই স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে এটিকে কোচ হাবাস

স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার পর বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে জুভেন্টাস কোচকে। শুধু করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচা নয় শারীরিকও অনেক সমস্যা রয়েছে সারির। ষাট বছরের বেশি বয়স সারির।  প্রচণ্ড ধূমপান করেন। সম্প্রতি নিউমোনিয়ায়ও আক্রান্ত হন সারি। দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের সমস্যাও রয়েছে। এই অবস্থায় করোনা সংক্রমণ হলে বিপদ এড়ানো কঠিন। ২০১৯-২০ মরসুমের শুরুতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পরে সারির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। প্রচুর ধূমপান করায় সুস্থ হতেও সময় নেন।  অগস্টের শেষ থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তিনি ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের প্রশিক্ষণও দিতে পারেননি।

আরও পড়ুনঃমহামারী করোনা, সচেতনতা বাড়াতে সেফ হ্যান্ডস চ্যালেঞ্জ গ্রহণ সচিন, সিন্ধু, হিমার

আরও পড়ুনঃকরোনা ভাইরাস রুখতে ভিডিও বার্তা সচিনের, কী বললেন মাস্টার ব্লাস্টার

ইতালির সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা ভেবে বিশেষ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে জুভেন্তাস ক্লাব কর্তৃপক্ষ। শুধু সিনিয়র টিম নয়, বিভিন্ন বয়সভিত্তিক ফুটবলার ও সাপোর্ট স্টাফ মিলিয়ে মোট ১২১ জনও চলতি সপ্তাহে নিজেদের স্বেচ্ছাবন্দি করেছেন। দলের সকলের শারীরিক পরিস্থিতির উপর চিকিৎসকরা সর্বক্ষণ খেয়াল রাখছেন। সন্দেহজনক কিছু দেখলেই তার নমুনা পাঠানো হচ্ছে টেস্টের জন্য। ফলে জুভেন্তাস ক্লাব জুড়ে এখন শুধুই আতঙ্কের পরিবেশ।