পৃথিবী জুড়ে ক্রমশ মারাত্মক রূপ নিচ্ছে করোনা ভাইরাস। দ্রুত গতিতে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। বিশেষ করে চিন, ইতালি ও স্পেনের পরিস্থিতি দিনের পর দিন ভয়াবহ হচ্ছে। মারণ ভাইরাসের আতঙ্ক গ্রাস করেছে এই দেশকেও। ইতিমধ্যেই ১৫০ ছাড়িয়েছে এদেশে আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত এখনও পর্যন্ত তিন জন। ক্রীড়া ক্ষেত্রেও নিজের থাবা ক্রমশ চওড়া করছে কোভিড ১৯ ভাইরাস। পরিস্থিতি সামাল দিতে, সচেতনতা বাড়াতে যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তথা প্রত্যেক রাজ্যের সরকার। সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সচেষ্ট হয়েছেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে সকলেই দিচ্ছেন সচেতনতার বার্তা। এবার করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে সচেতনতা বাড়াতে সোশাল মিডিয়ায় বার্তা দিলেন মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর। 

আরও পড়ুনঃভ্যালেন্সিয়া ফুটবল দলের ৩৫ শতাংশ প্লেয়ার ও সাপোর্টিং স্টাফ করোনা আক্রান্ত

আরও পড়ুনঃইতালির একই ক্লাবের ৭ জন প্লেয়ার করোনায় আক্রান্ত, আরও ভয়াবহ হচ্ছে পরিস্থিতি

নিজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে শেয়ার করা ভিডিও বার্তায় সচিন তেন্ডুলকর জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাস রুখতে সবার আগে প্রয়োজন সচেতনতার। এই সময় বেশি ভিড়ের মধ্যে সকলকে না যাওয়ার পরমারর্শ দিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার। একইসঙ্গে সমস্ত ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান এড়িয়ে যেতেও বলেছেন সচিন। প্রয়োজন ছাড়া বাইরের মানুষের সঙ্গে দেখা না করার কথাও বলেছেন সচিন। কারণ করোনা ভাইরাস এক জনের থেকে অপর জনের মধ্যেই ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি। এছাড়া কোনও ব্যক্তির যদি জ্বর,কাশি ও ঠান্ডা লেগে থাকে তাদের থেকে দূরে থাকাই ভাল। নিজের যদিও এই সকল কিছু হয় দ্রুত ডাক্তার দেখানোর কথাও বলেছেন লিটল মাস্টার। পাশাপাশি এই ভাইরাসের সংক্রম থেকে বাঁচতে যতবার সম্ভব সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করার পরামর্শও দিয়েছেন সচিন। ভয়ভীত না হওয়া ও গুজব না ছড়ানোর কথাও বলেছেন তেন্ডুলকর। আর যে কোনও ধরনের প্রয়োজনে সরাকরি হেল্পলাইন ও ওয়েব সাইটে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। শেষে সকলে মিলে একসঙ্গে লড়াই করে করোনা ভাইরাসকে হারানোর ডাকও দিয়েছেন সচিন। 

 

 

সচিনও প্রথম নয়, এর আগে ভারতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক বিরাট কোহলি, ক্রিকেটার রোহিত শর্মা সহ অনেকেই সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সোশাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ছেন। যে ভাবে এই মারন ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে তার থেকে রক্ষা পেতে সঠিক চিকিৎসা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিই একমাত্র পথ বলে মনে করছেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিষ্টিরা।

আরও পড়ুনঃকরোনার থাবা অব্যাহত ফুটবল বিশ্বে, আক্রান্ত ফ্লেমিঙ্গোর ফুটবল কোচ জর্জ জেসাস