বিশ্ব জুড়ে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। চিনের পর ইউরোপের ইতালিতে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আক্রান্ত ও মৃতের সবথেকে বেশি। ইতালির ক্রীড়া ক্ষেত্রেও ব্যাপক প্রভাব পড়েছে এই মারণ ভাইরাসের। বন্ধ সিরি এ সি ইতালির সমস্ত ঘোরায় স্পোর্টিং ইভেন্ট। এবার ইতালিয়ান সিরি এ-র অন্যতম ক্লাব সাম্পদোরিয়ার ৭ জন প্লেয়ার করোনা আক্রান্ত হলেন। এর আগে ক্লাবের ৫ জন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। আরও ২ জনের করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজেটিভ আসায় সেই সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়াল সাত। 

আরও পড়ুনঃভ্যালেন্সিয়া ফুটবল দলের ৩৫ শতাংশ প্লেয়ার ও সাপোর্টিং স্টাফ করোনা আক্রান্ত

১৯৯০-৯১ সালে সিরি এ লিগের শিরোপা জেতা ক্লাব সাম্পদোরিয়ায় সবার প্রথম করোনা ভাইরাস পজেটিভ ধরা পড়ে  তারকা ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড মানোলো গাব্বিয়াদিনির শরীরে। তারপরই নড়ে বসে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। সংক্রমণ রুখতে একাধিক ব্যবস্থা নিলেও মারণ ভাইরাসের কবল থেকে ক্লাবের প্লেয়ারদের রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। গাবিয়াদ্দিনির পর ক্লাবের আরও ৪ প্লেয়ার করোনায় আক্রান্ত হন। তারা হলেন, গাম্বিয়ান ডিফেন্ডার ওমার কোলি, সুইডিশ মিডফিল্ডার আলবিন একদাল, নরওয়ের মিডফিল্ডার মর্টেন থর্সবি ও ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড আন্তোনিও লা গুমিনা। এবার আরও সাম্পদোরিয়ার ২ জন প্লেয়ার করোনায় আক্রান্ত হলেন। তারা হলেন ইতালির মিডফিল্ডার ফাবিও দেপাওলি ও পোল্যান্ডের ডিফেন্ডার বার্তোশ বেরেজিনস্কি। শুধু ৭ প্লেয়ারই নয় আক্রান্ত হয়েছেন দলের চিকিৎসক আমেদেও বালদারিও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্লাবের পক্ষ থেকে দলের অন্যান্য প্লেয়ার ও সাপোর্টিং স্টাফদের আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃকরোনার থাবা অব্যাহত ফুটবল বিশ্বে, আক্রান্ত ফ্লেমিঙ্গোর ফুটবল কোচ জর্জ জেসাস

আরও পড়ুনঃকরোনায় আক্রান্ত জুভেন্তাসের আরও এক ফুটবালর, টেস্ট রিপোর্ট পজেটিভ মাতুইদির

মহামারির আকার ধারণ করা এই ভাইরাসে ইতালির ক্লাবগুলির মধ্যে সবথেকে বেশি সাম্পদোরিয়ার ৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে ইতালির নামকরা ক্লাব জুভেন্তাসের দুই প্লেয়ার রুগানি ও মাতুইদি আক্রান্ত হয়েছে কোভিড ১৯ ভাইরাসে। রুগানিই সবাক প্রথম ফুটবলার যিনি ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছড়াও  আরেক জনপ্রিয় ক্লাব ফিওরেন্তিনার আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার জার্মান পেজ্জেয়া ও ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড প্যাত্রিক কুত্রোনেও আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে। ফলে দিনের পর দিন যেভাবে ইতালি জুড়ে নিজের আগ্রাসন আরও  বাড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস তাতে পরিস্থিতি আর ভয়াবহ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।