আজ ফিরছে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। মার্চ মাসের শুরুতে কিছু শেষ ষোলোর পর্বের খেলা বাকি থাকা সত্ত্বেও ইউয়েফা কে বাধ্য হয়েই প্রতিযোগিতাটি থামিয়ে দিতে হয় করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায়। তারপর সিদ্ধান্ত হয় সমস্ত ঘরোয়া লিগ শেষ হলে ফিরবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। প্রতিযোগিতাটির শেষ ষোলো পর্ব কোনওভাবে
শেষ করে কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমি ফাইনাল গুলি একটি মাত্র ম্যাচের হবে এই সিদ্ধান্তও জানিয়ে দেয় ইউয়েফা। একটি নিরপেক্ষ ভেন্যু তে ম্যাচ আয়োজনের কথা ভেবে ইউয়েফা শেষ পর্যন্ত ঠিক করে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ফাইনাল অবধি সব খেলা হবে পর্তুগালে। কারণ পর্তুগালের কোনও দল এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নক-আউট পর্বে উঠতে পারেনি। ফলে হোম ভেন্যুর সুবিধা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না কোনও দল। তা ছাড়া ইউরোপীয় দেশগুলির মধ্যে পর্তুগালে করোনা সংক্রমণের সংখ্যাও কম। তবে শেষ ষোলোর বাকি খেলাগুলি হবে পূর্বনির্ধারিত ভেন্যুতেই, যা শুরু হচ্ছে আজ। 

আরও পড়ুনঃমরু দেশে গেলেও মাঠে নয়, হোটেলে বসেই দেখতে হবে স্বামীদের খেলা

আজ জুভেন্তাস মাঠে নামছে ফ্রেঞ্চ ক্লাব অলিম্পিক লিওনের বিরুদ্ধে। নিজেদের ঘরের মাঠে জুভেন্তাসকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল তারা। গত মরশুমে এই শেষ ষোলোতেই একই পরিস্থিতিতে পড়েছিল জুভেন্তাস। আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে প্রথম লেগের ম্যাচটি তারা হেরেছিল ২-০ গোলে। কিন্তু দ্বিতীয় লেগে আর ভুল করেনি জুভরা। অ্যাটলেটিকোকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেয় তারা। সেবার ম্যাচটি আসলে জিতিয়েছিলেন রোনাল্ডো একা। অসাধারণ এক হ্যাটট্রিক করেছিলেন দলটির পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড।

আরও পড়ুনঃএবার দুবাইতে শুধুই ধোনির হেলিকপ্টার শট, যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এমএসডি

আরও পড়ুনঃপ্রকাশ হল আইপিএলের চূড়ান্ত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসেডিওর, জেনে নিন নিয়মাবলী

লিওর বিপক্ষে ম্যাচের আগে গত মৌসুমে অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে সেই জয়ের কথা সবাইকে মনে করিয়ে দিলেন জুভে গোলকিপার সেজনি। কিন্তু সত্যি টা হলো এই মুহুর্তে জুভে জঘন্য ফর্মে রয়েছে। লিগ কোনভাবে জিতলেও লিগের শেষদিকে এসে লিগ তালিকার ১৫ বা ১৬ নম্বরে থাকা দলের কাছে ম্যাচ হেরেছেন তারা। ডিফেন্স জঘন্য, ফুলব্যাকরা অপদার্থ। বক্সে স্ট্রাইকারদের জন্য ক্রস তুলতে জানেন না তারা। উল্টে লিওন প্রচুর সময় পেয়েছে এই ম্যাচের প্রস্তুতির। কিছুদিন আগে কোপা দে লা লিগের ফাইনালে পিএসজির কাছে টাইব্রেকারে হেরেছে তারা। হারলেও বেশ কার্যকর ফুটবল খেলেছিল তারা। পিএসজির মতো আক্রমণাত্মক দলকে ১২০ মিনিট গোল করতে দেয়নি তারা। তাই আজকের ম্যাচে লিওনের জয় একপ্রকার নিশ্চিত।