ফুটবল রাইটার্স এসোসিয়েশন বা এফডব্লিউএ-এর বিচারে মরশুম সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হলেন জর্ডান হেন্ডারসন। সাত ম্যাচ বাকি থাকতেই লিগ খেতাব নিশ্চিত করে ফেলেছিল লিভারপুল। ৩০ বছরের খরা কাটিয়ে ১৯ নম্বর ইপিএল খেতাব নিশ্চিত হয়েছিল এনফিল্ডের ট্রফি ক্যাবিনেটে। এই খেতাব জয়ের রাস্তায় লিভারপুল-কে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জর্ডান হেন্ডারসন। সম্ভবত নিজের কেরিয়ারের সেরা ফুটবল খেলার সাথে সাথে সতীর্থদের-কেও উদ্বুদ্ধ করেছিলেন নিজেদের সেরাটা দিতে। তার সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ঢঙে উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন ভ্যান ডাইক, মানে, সালাহ-রা।

আরও পড়ুনঃঅন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরা দিলেন মেসি ও অ্যান্তোনেলা রোকুজ্জো, মহামারীতে ঘুরতে গিয়ে বিতর্কে মেসি-সুয়ারেজ

জুলাই মাসের প্রথম দিক-থেকেই হাঁটুর চোটে ভুগছেন হেন্ডারসন। যার জন্য মরশুমের শেষ দিকের নিয়মরক্ষার ম্যাচগুলিতে তিনি অংশ নিতে পারেননি। তার সাথে সাথে এই এফডব্লিউএ-এর খেতাবের দৌড়ে ছিলেন তারই সতীর্থ ভার্জিল ভ্যান ডাইক এবং সাদিও মানে। তা বাদে ম্যানচেস্টার সিটির তারকা মিডফিল্ডার কেভিন দি ব্রুইন এবং রেড ডেভিলস ফরোয়ার্ড মার্কাস র‍্যাশফোর্ড-ও এই তালিকায় ছিলেন। 

আরও পড়ুনঃখারাপ সময়ে বিরাট কোহলির কেরিয়ার বাঁচিয়েছিলেন সচিন তেন্ডুলকর

আরও পড়ুনঃজীবনের সব থেকে কঠিন সময় প্রসঙ্গে জানালেন মারিয়া শারাপোভা

সতীর্থ এবং সেই সমস্ত ফুটবল লেখক যারা তাকে যোগ্য মনে করেছেন এই খেতাব জয়ের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন হেন্ডারসন। ২০১১ সালে ২০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে ছোটবেলার ক্লাব সান্ডারল্যান্ড থেকে এনফিল্ডে পারি জমিয়েছিলেন তিনি। লিভারপুলে খেলতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন তিনি। এর আগে লিভারপুল থেকে লুইস সুয়ারেজ এবং স্টিভেন জেরার্ডের মতো কিংবদন্তি এই পুরস্কার হয়েছেন। সেই তালিকায় সামিল হতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন হেন্ডারসন। এই লিগ মরশুমে ৩০ টি ম্যাচে মাঝমাঠ থেকে খেলা পরিচালনা করার সাথে ৪ টি গোল এবং ৫ টি গোলে সহায়তাও করেছেন তিনি।