MalayalamNewsableKannadaKannadaPrabhaTeluguTamilBanglaHindiMarathiMyNation
Add Preferred SourceGoogle-icon
  • Facebook
  • Twitter
  • whatsapp
  • YT video
  • insta
  • এই মুহূর্তের খবর
  • ভারত
  • পশ্চিমবঙ্গ
  • বিনোদন
  • ব্যবসা
  • লাইফ স্টাইল
  • ফোটো
  • ভিডিও
  • জ্যোতিষ
  • বিশ্বের খবর
  • Home
  • India News
  • করোনা রোধে গোটা ভারতে 'ভিলওয়ারা মডেল' চাইছে মোদী সরকার, কীভাবে কাজ করে এই ব্যবস্থা

করোনা রোধে গোটা ভারতে 'ভিলওয়ারা মডেল' চাইছে মোদী সরকার, কীভাবে কাজ করে এই ব্যবস্থা

গত এক সপ্তাহে ভারতবর্ষে দ্রুত হারে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিব রাজীব গৌবা পরামর্শ দিয়েছেন এই মারাত্মক সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে 'ভিলওয়ারা মডেল' অনুসসরণ করতে পারে। ভারতে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব ছড়ানো শুরু হওয়ার পরপরই ২৭জন এএই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং দু'জনের মৃত্যু হয়েছিল। তবে রাজস্থান সরকার এবং জেলা প্রশাসনের পদক্ষেপে ভিলওয়ারায় গত এক সপ্তাহে আর একজনও নতুন কোভিড-১৯ রোগী ধরা পড়েনি এবং এই জেলায় ইতিমধ্যেই ১৩ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে এটা সম্ভব হল -

3 Min read
Author : Amartya Lahiri
Published : Apr 07 2020, 12:43 PM IST
Share this Photo Gallery
  • FB
  • TW
  • Linkdin
  • Whatsapp
  • GNFollow Us
18
জানা গিয়েছে ভিলওয়ারা-তে কোনও আহামরি কিছু কৌশল নেওয়া হয়নি, বরং ছয়টি মৌলিক তবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে - জেলাকে বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন করা, হটস্পট খুঁজে বের করা, ঘরে ঘরে গিয়ে স্ক্রিনিং, আক্রান্তদের সঙ্গে কার কার যোগাযোগ হয়েছিল তা খুঁজে বের করা, কোয়ারেন্টাইন বা পৃথকীকরণ এবং আইসোলেশন বা বিচ্ছিন্নতা ওয়ার্ড স্থাপন করা এবং গ্রামীণ অঞ্চলের জন্য একটি তদারকি ব্যবস্থা তৈরি। সেখানকার প্রশাসনিক কর্তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, বাসিন্দাদের অসুবিধে হবে ঠিকই, তবে তাদের এটা মেনে নিতেই হবে। মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যই এখন প্রধান অগ্রাধিকার।
Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
28
ভিলওয়ারায় একের পর এক রোগী ধরা পড়তে শুরু করার পরই গত ২০ মার্চ, অর্থাৎ দেশজুড়ে লকডাউন শুরু হওয়ারও ৫ দিন আগে গোটা জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিল। জেলার সব প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়, প্রতিবেশী জেলাগুলির সঙ্গে সীমান্তও যাতে বন্ধ থাকে তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। প্রয়োজনীয় জিনিস ছাড়া আর কোনও দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হয়নি। রেল-সহ সব গণপরিবহন বন্ধ ও শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ২ এপ্রিল থেকে পুলিশ ও স্বাস্থ্য পরিষেবা ছাড়া বাকি সব পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
38
একবার জেলাটি বাইরের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর, আক্রান্তদের ঠিকানা ধরে ধরে জেলার কোথায় কোথায় এই ভাইরাস ছড়াচ্ছে তা খুঁজে ম্য়াপ তৈরি করা হয়। ছয়টি জায়গা হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত হয়। সেখানে প্রশাসনের কর্মীদের পাঠিয়ে এলাকা ধরে ধরে থার্মাল স্ক্রিনিং শুরু হয়। জেলার ২৪ লক্ষ জনসংখ্যার (২০১১) মধ্যে প্রায় ২২.৩৯ লক্ষ লোকের থার্মাল স্ক্রিনিং করা হয়েছে। অনেকেরই ক্ষেত্রেই একাধিকবার স্ক্রিনিং হয়েছে। ১,৯২৭টি দল গত ২২ মার্চ থেকে ২ এপ্রিলের মধ্যে ৪.৪৪ লক্ষ বাড়িতে গিয়ে এই কাজ করেছে। এরমধ্যে ১৪,০০০ লোকের দেহে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো লক্ষণ পাওয়া গিয়েছে। তাদের উপর নজর রাখা হচ্ছে। দিনে দুবার করে প্রশাসনিক কর্মীরা গিয়ে তাদের দেখে আসছেন।
48
শুধু এইভাবে থার্মাল স্ক্রিনিং বা করোনাভাইরাস পরীক্ষা চালানোই নয়, এর পাশাপাশি, জেলা প্রশাসন শহরের প্রতিটি এলাকা জীবাণুমুক্ত করেছে। কন্টেনমেন্ট অঞ্চল, অর্থাৎ যেসব জায়গা থেকে অন্তত ১৪ দিনের জন্য কাউকে ঢুকতে বা বের হতে দেওয়া হবে না এবং বাফার অঞ্চল অর্থাৎ যেসব জায়গায় অত্যন্ত দ্রুত হারে ভাইরাসটি ছড়াচ্ছে, এইসব চিহ্নিত এলাকগুলি থেকে শুরু করে যে যে জায়গায় করোনা পজিটিভদের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, সেই সমস্ত এলাকা জীবানুমুক্ত করা হয়। একই কাজ করা হয়, সমস্ত অ্যাম্বুল্যান্স, পুলিশের গাড়ি, স্ক্রিনিং সেন্টার, কোয়ারেন্টাইন সেন্টার, কালেক্টরেট, থানা এবং অন্যান্য জনপরিষেবার অফিসগুলি।
58
এরসঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুধু কোভিড-১৯ চিকিৎসার বিশেষ হাসপাতাল স্থাপন করে। এছাড়াও জেলা প্রশাসন চারটি বেসরকারী হাসপাতাল সাময়িকভাবে অধিগ্রহণ করে সেগুলিকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রূপান্তরিত করে। এই প্রতিটি হাসপাতালে ২৫ টি করে শয্যা রয়েছে। এর পাশাপাশি, ২৭৫টি হোটেলের ১,৫৪১ টি ঘরও কোয়ারেন্টাইন-এর জন্য নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জেলার ৯৫০ জন বাসিন্দা এই কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলিতে রয়েছেন। আরও ৭,৬২০ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন অর্থাৎ নিজ নিজ গৃহেই পৃথক করে রাখা হয়েছে।
68
এই পুরো কর্মযজ্ঞ সঠিকভাবে পরিচালনা ও করোনাভাইরাস সংক্রান্ত যে কোনওরকম খোঁজ খবরের জন্য, কালেক্টরেট, চিফ মেডিকেল এন্ড হেলথ অফিস, নগর পরিষদ এবং সাব-ডিবিশনাল অফিস সহ মোট ছয়টি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। এগুলি সপ্তাহের সাতদিন ২৪ ঘন্টা খোলা থাকছে।
78
প্রশ্ন হল, এই কঠোরভাবে বিচ্ছিন্নতা ও পৃথকীকরণ করলে মানুষ খাবে কি? ২ এপ্রিল পর্যন্ত নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যাচ্ছিল। তারপর থেকে সেইসব দোকানও বন্ধ। কিন্তু, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগেই সরকারি কর্মীরা মুদিখানার জিনিস থেকে শুরু করে, ফল, শাক-সবজি, দুধ নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছেন প্রতিটি এলাকার বাড়িতে বাড়িতে। এরসঙ্গে দরিদ্র ও অভাবীদের জন্য কাঁচা ও রান্না করা খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হচ্ছে। পথের পশুপাখিদের কথাও মাথায় রাখা হয়েছে। তাদের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে পশুখাদ্যের।
88
জেলা প্রশাসনের কর্তারা অবশ্য বলছেন, এই সবটাই সম্ভব হয়েছে রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার কারণে। তাঁরা জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসনকে এই অভিযানে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। কোনও পক্ষ থেকে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। সেই সঙ্গে যখন যে সাহায্য চেয়েছেন সরকারের কাছে, তাই পেয়েছেন। তাতেই তাদের কাজটা সহজ হয়েছে।

About the Author

AL
Amartya Lahiri

Latest Videos
Recommended Stories
Recommended image1
Bye Elections 2026: তিন আসনে বিধানসভা উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের, চলতি মাসেই ভোটগ্রহণ
Recommended image2
Now Playing
TMC Crisis: তৃণমূল কার? কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিস্ফোরক ঋতব্রত, কী বললেন?
Recommended image3
Bengaluru Daycare Horror: বেঙ্গালুরুর একটি ডে-কেয়ারে ভয়ঙ্কর কাণ্ড! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড় নেটদুনিয়া
Recommended image4
Ration Card Cancel: দীর্ঘদিন রেশন তোলেন না? এবার বাতিল হবে রেশন কার্ড, বড় সিদ্ধান্ত সরকারের
Recommended image5
Train Ticket Booking: ট্রেন ছাড়ার ১৫ মিনিট আগেও কনফার্মড টিকিট পাবেন, রেলের এই নিয়মটা জানেন?
Asianet
Follow us on
  • Facebook
  • Twitter
  • whatsapp
  • YT video
  • insta
  • Download on Android
  • Download on IOS
  • About Website
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • CSAM Policy
  • Complaint Redressal - Website
  • Compliance Report Digital
  • Investors
© Copyright 2026 Asianxt Digital Technologies Private Limited (Formerly known as Asianet News Media & Entertainment Private Limited) | All Rights Reserved