ভারত বনাম বাংলাদেশ ক্রিকেট প্রতিদ্বন্দ্বিতা, সবচেয়ে স্মরণীয় ও বিতর্কিত পাঁচ মুহূর্ত

First Published 2, Jul 2019, 11:41 AM IST

ক্রিকেট বিশ্বে প্রথম সারির যে ক্রিকেট প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলি রয়েছে যেমন ভারত-পাকিস্তান, ভারত-অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া বা অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড - ধারে ও ভারে কোনও ভাবেই তাদের পাশে আসতে পারে না ভারত বনাম বাংলাদেশ ক্রিকেট প্রতিদ্বন্দ্বিতা। তবু সমর্থকদের আবেগ ও গত কয়েক বছরে ক্রিকেট মাঠের কিছু মোড় ঘোরানো মুহূর্ত ও কয়েকটি মাঠের বাইরের কয়েকটি অবাঞ্ছিত ঘটনা এই দ্বৈরথকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। অথচ বাংলাদেশকে টেস্ট খেলার অধইকার পাযার জন্য সবচেয়ে সাহায্য করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডই। তারপর বাংলাদেশ ধীরে ধীরে অন্যতম ক্রিকেট শক্তি হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দুই প্রতিবেশী দেশের ক্রিকেট বৈরিতা। বিশ্বকাপে আরও একবার দুই দল মুখোমুখি হওয়ার আগে দেখে নেওযা যাক ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট প্রতিদ্বন্দ্বিতার সবচেয়ে স্মরণীয় ও বিতর্কিত পাঁচটি মুহূর্ত।

 

বিশ্বকাপ ২০০৭ - বিশ্বকাপের এই ম্যাচ থেকেই জমে ওঠে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা। দ্রাবিড়, সৌরভ, শচিন, সেওয়াগ, জাহির খানদের ভারতকে হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। মাশরাফে মোর্তাজার বোলিং পরাক্রমে ভারত অলআউট হয়ে গিয়েছিল মাত্র ১৯১ রানে। বাকিটা ইতিহাস।

বিশ্বকাপ ২০০৭ - বিশ্বকাপের এই ম্যাচ থেকেই জমে ওঠে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা। দ্রাবিড়, সৌরভ, শচিন, সেওয়াগ, জাহির খানদের ভারতকে হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। মাশরাফে মোর্তাজার বোলিং পরাক্রমে ভারত অলআউট হয়ে গিয়েছিল মাত্র ১৯১ রানে। বাকিটা ইতিহাস।

বিশ্বকাপ ২০১১ - দ্রাবিড়ের দলের সেই হারের বদলা ৪ বছর পরের বিশ্বকাপে নিয়েছিল ধোনির ভারত। বীরেন্দ্র সেওয়াগের ১৪০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংস ও কোহলির শতরান (৮৩ বলে ১০০)-এ ভারত তুলেছিল ৩৭০/৪। বাংলাদেশ ২৮৩/৯ করতে পেরেছিল। মুনাফ প্যাটেল ৪ উইকেট নেন।

বিশ্বকাপ ২০১১ - দ্রাবিড়ের দলের সেই হারের বদলা ৪ বছর পরের বিশ্বকাপে নিয়েছিল ধোনির ভারত। বীরেন্দ্র সেওয়াগের ১৪০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংস ও কোহলির শতরান (৮৩ বলে ১০০)-এ ভারত তুলেছিল ৩৭০/৪। বাংলাদেশ ২৮৩/৯ করতে পেরেছিল। মুনাফ প্যাটেল ৪ উইকেট নেন।

মুস্তাফিজ কাটার, ২০১৪ - ২০১৪ সালে সুরেশ রায়নার নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় সারির ভারতকে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হারায় বাংলাদেশ। এরপরই বাংলাদেশি সংবাদপত্রে মুস্তাফিজ কাটারের মতো কুৎসিত বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছিল।

মুস্তাফিজ কাটার, ২০১৪ - ২০১৪ সালে সুরেশ রায়নার নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় সারির ভারতকে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হারায় বাংলাদেশ। এরপরই বাংলাদেশি সংবাদপত্রে মুস্তাফিজ কাটারের মতো কুৎসিত বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছিল।

বিশ্বকাপ ২০১৫ - রোহিতের শতরানে জিতেছিল ভারত। কিন্তু রোহিত ৯০ ঘরে ব্যাট করার সময়ে রুবেল হোসেনের একটি বলে ক্যাচ আউট হয়েথছিলেন। কিন্তু কোমড়ের উপর ফুলটস বল বলে আম্পায়ার আলিম দার নো বল দেন। সেই ম্যভারত জিতলেও সেই নো বল নিয়ে জল গড়িয়েছিল আইসিসি পর্যন্ত।

বিশ্বকাপ ২০১৫ - রোহিতের শতরানে জিতেছিল ভারত। কিন্তু রোহিত ৯০ ঘরে ব্যাট করার সময়ে রুবেল হোসেনের একটি বলে ক্যাচ আউট হয়েথছিলেন। কিন্তু কোমড়ের উপর ফুলটস বল বলে আম্পায়ার আলিম দার নো বল দেন। সেই ম্যভারত জিতলেও সেই নো বল নিয়ে জল গড়িয়েছিল আইসিসি পর্যন্ত।

এশিয়া কাপ ফাইনাল, ২০১৬ - ২০১৫ সালের নোবলের জের তখনও কাটেনি। ম্যাচের আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু বাংলাদেশী সমর্থক তাস্কিন আহমেদ ও ধোনির একটি প্রায় জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসআইএস-এর পোস্টারের ধাঁচে ছবি পোস্ট করেছিলেন। যা নিয়ে এমনকী বাংলাদেশেও সমালোচনা হয়েছিল।

এশিয়া কাপ ফাইনাল, ২০১৬ - ২০১৫ সালের নোবলের জের তখনও কাটেনি। ম্যাচের আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু বাংলাদেশী সমর্থক তাস্কিন আহমেদ ও ধোনির একটি প্রায় জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসআইএস-এর পোস্টারের ধাঁচে ছবি পোস্ট করেছিলেন। যা নিয়ে এমনকী বাংলাদেশেও সমালোচনা হয়েছিল।

loader