15
বিশ্বকাপ ২০০৭ - বিশ্বকাপের এই ম্যাচ থেকেই জমে ওঠে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা। দ্রাবিড়, সৌরভ, শচিন, সেওয়াগ, জাহির খানদের ভারতকে হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। মাশরাফে মোর্তাজার বোলিং পরাক্রমে ভারত অলআউট হয়ে গিয়েছিল মাত্র ১৯১ রানে। বাকিটা ইতিহাস।

Subscribe to get breaking news alerts

25
বিশ্বকাপ ২০১১ - দ্রাবিড়ের দলের সেই হারের বদলা ৪ বছর পরের বিশ্বকাপে নিয়েছিল ধোনির ভারত। বীরেন্দ্র সেওয়াগের ১৪০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংস ও কোহলির শতরান (৮৩ বলে ১০০)-এ ভারত তুলেছিল ৩৭০/৪। বাংলাদেশ ২৮৩/৯ করতে পেরেছিল। মুনাফ প্যাটেল ৪ উইকেট নেন।
35
মুস্তাফিজ কাটার, ২০১৪ - ২০১৪ সালে সুরেশ রায়নার নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় সারির ভারতকে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হারায় বাংলাদেশ। এরপরই বাংলাদেশি সংবাদপত্রে মুস্তাফিজ কাটারের মতো কুৎসিত বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছিল।
45
বিশ্বকাপ ২০১৫ - রোহিতের শতরানে জিতেছিল ভারত। কিন্তু রোহিত ৯০ ঘরে ব্যাট করার সময়ে রুবেল হোসেনের একটি বলে ক্যাচ আউট হয়েথছিলেন। কিন্তু কোমড়ের উপর ফুলটস বল বলে আম্পায়ার আলিম দার নো বল দেন। সেই ম্যভারত জিতলেও সেই নো বল নিয়ে জল গড়িয়েছিল আইসিসি পর্যন্ত।
55
এশিয়া কাপ ফাইনাল, ২০১৬ - ২০১৫ সালের নোবলের জের তখনও কাটেনি। ম্যাচের আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু বাংলাদেশী সমর্থক তাস্কিন আহমেদ ও ধোনির একটি প্রায় জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসআইএস-এর পোস্টারের ধাঁচে ছবি পোস্ট করেছিলেন। যা নিয়ে এমনকী বাংলাদেশেও সমালোচনা হয়েছিল।