18

বাতাসে মিশে থাকা হাজার হাজার রোগ জিবাণু, যা নিঃশ্বাসের সঙ্গে আমাদের দেহে প্রবেশ করতে পারে। করোনার জেরে মাস্ক পরায় সেই সম্ভাবনা গিয়েছে কমে। 

Subscribe to get breaking news alerts

28

বাজার থেকে জিনিস এনেই বাড়িতে ঢুকিয়ে নিতাম আমরা। বর্তমানে সেই জিনিসই আজ স্যানিটাইজ করে তবেই ঘরে ঢুকিয়ে থাকি আমরা। 

38

কথায় কথায় হাত ধোয়া। আমরা আগে যেখানে সেখানে হাত না ধুয়েই খেয়ে ফেলতাম। তা থেকে স্টামাক ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাব থেকে যায়। আজ অভ্যাস পাল্টাতে তার সম্ভাবনাও গিয়েছে কমে। 

 

48

রেস্তোরাতে মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাফস পরে খাবার দেওয়াতেই যেন সতর্কতা বেড়েছে আরও। খাবার নিয়ে রেস্তোরাতে অনেক বেশি সচেতনতা বেড়েছে। 

58

শারীরিক দূরত্ব, একে অন্যের খাবার ভাগ করে খাওয়া, গায়ে ঘেঁসে থাকা, প্রভৃতি ছিল নিত্য সঙ্গী। বর্তমানে তা থেকে বিরত থাকায় অন্যান্য সংক্রমক রোগ গুলো কমে গিয়েছে অনেকাংশে। 

68

হোটেল আগের থেকে অনেক বেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন হয়ে গিয়েছে। এক পর্যটক বেরনোর পর অন্য পর্যটককে ঢোকানোর আগে স্যানিটাইজ করা। 

78

বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটানো। পরিবারকে সময় দেওয়া। বাড়ির খাবারই খাওয়া। দীর্ঘদিন বাইরের খাবার থেকে বিরত থাকা। 

88

নেই গাড়ি, নেই নির্মাণ কার্য, ফলে ঝাঁচকচকে আকাশ, ও পরিষ্কার  বাতাসে প্রকৃতির অন্য এক রূপ দেখেছে সাধারণ গোটা বিশ্ব।