কলকাতার কাছেই সেরা ৫ ঘুরতে যাওয়ার জায়গা, থাকল ছবি সহ ঠিকানা

First Published 19, Sep 2020, 4:53 PM

 রাজ্য়ে ধীরে ধীরে করোনা জয়ীর সংখ্যা বাড়ছে। শুক্রবারের স্বাস্থ্য ভবনের বুলেটিন অনুযায়ী,  রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে একদিনে বাড়ি ফিরেছেন ২৯৬০ করোনা জয়ী। এই মুহূর্তে রাজ্য়ে সুস্থতার হার ৮৬.৮৬ শতাংশ। তাই বিজ্ঞানসম্মতভাবেই কোভিড বিধি মেনে রাজ্যে ধীরে ধীরে দর্শনীয় স্থানগুলি খুলে দেওয়া হচ্ছে জন সাধারণের জন্য। এদিকে ফুটেছে কাশ ফুল,  পুজো আসতে যে আর বেশি দেরি নেই। আর তাঁর আগেই টুক করে ঘুরে আসুন, কলকাতার অন্যতম দর্শনীয় স্থানে। অনেক সময় চেনা জায়গাও অসাধারণ লাগে, কারণ অনেকদিন পর বিদেশ থেকে ফিরে যেভাবে দেশের প্রতি আরও টান তৈরি হয়, ঠিক সেভাবেই। তাহলে জেনে নেওয়া যাক, সেই ঠিকানা গুলি, উসকে দেওয়া যাক কলকাতার নস্টালজিয়াকে।


 

<p><br />
এবার পরিবারকে আনন্দ দিতে যেতেই পারেন কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায়। আগামী ২ অক্টোবারেই খুলে যাচ্ছে আলিপুর সহ রাজ্যের সব চিড়িয়াখানা। অনলাইনে সমস্ত বুকিং শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে। ১০ বছরের নীচে বা ৬৫ বছরের উপরে কাউকে নিয়ে ভ্রমণ করলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।</p>


এবার পরিবারকে আনন্দ দিতে যেতেই পারেন কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায়। আগামী ২ অক্টোবারেই খুলে যাচ্ছে আলিপুর সহ রাজ্যের সব চিড়িয়াখানা। অনলাইনে সমস্ত বুকিং শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে। ১০ বছরের নীচে বা ৬৫ বছরের উপরে কাউকে নিয়ে ভ্রমণ করলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

<p><br />
তবে শুধু চিড়িয়াখানাই নয়, খুলে যাচ্ছে রাজ্যের অভয়ারণ্য গুলিও। তবুও যাবার আগে একবার অবশ্য চেক করে নেবেন যে খোলা থাকছে কবে কবে। তাই সেই প্ল্য়ানও রেডি রাখতে পারেন। উত্তরবঙ্গের &nbsp;জলদাপাড়া &nbsp;অভয়ারণ্য ঘুরলেও বেশ ভাল লাগবে।<br />
&nbsp;</p>


তবে শুধু চিড়িয়াখানাই নয়, খুলে যাচ্ছে রাজ্যের অভয়ারণ্য গুলিও। তবুও যাবার আগে একবার অবশ্য চেক করে নেবেন যে খোলা থাকছে কবে কবে। তাই সেই প্ল্য়ানও রেডি রাখতে পারেন। উত্তরবঙ্গের  জলদাপাড়া  অভয়ারণ্য ঘুরলেও বেশ ভাল লাগবে।
 

<p>&nbsp;<br />
&nbsp;গঙ্গার হাওয়া খেতে খেতে একদম কয়েকঘন্টার ঘুরতে চাইলে দক্ষিণশ্বর যান। মাকে দর্শন করুন। দেখুন সন্ধের পুজো আরতি। রামকৃষ্ণ দেবের প্রাঙ্গনে বসে চোখ বন্ধ করে শুনুন ভেসে আসা গান-ঘন্টা-কাসর ধ্বনি-কোলাহল। মন হালকা লাগবে। শক্তি পাবেন। কারণ ওখানে বেশিরভাগ মানুষই পার্থনার জন্য যায়। তাই ধনাত্মক শক্তি খুব বেশি পরিমাণে কাজ করবে।</p>

 
 গঙ্গার হাওয়া খেতে খেতে একদম কয়েকঘন্টার ঘুরতে চাইলে দক্ষিণশ্বর যান। মাকে দর্শন করুন। দেখুন সন্ধের পুজো আরতি। রামকৃষ্ণ দেবের প্রাঙ্গনে বসে চোখ বন্ধ করে শুনুন ভেসে আসা গান-ঘন্টা-কাসর ধ্বনি-কোলাহল। মন হালকা লাগবে। শক্তি পাবেন। কারণ ওখানে বেশিরভাগ মানুষই পার্থনার জন্য যায়। তাই ধনাত্মক শক্তি খুব বেশি পরিমাণে কাজ করবে।

<p>কলকাতার খুব কাছেই একটু পর্তুগীজ ছোঁওয়া পেতে চাইলে হাওয়া হয়ে কিংবা ব্য়ারাকপুর হয়ে শ্য়াওড়াফুলি &nbsp;ঘাটে নেমে ওপারে চন্দননগর ঘুরে আসতে পারেন। চার্চ, স্কুল, মিউজিয়াম, কলেজ, স্মৃতি স্তম্ভ মিলিয়ে বেশ লাগবে আপনার। আর প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে গেলে গঙ্গার পাড়ে বসে মন ছুঁয়ে যাবে।<br />
&nbsp;</p>

কলকাতার খুব কাছেই একটু পর্তুগীজ ছোঁওয়া পেতে চাইলে হাওয়া হয়ে কিংবা ব্য়ারাকপুর হয়ে শ্য়াওড়াফুলি  ঘাটে নেমে ওপারে চন্দননগর ঘুরে আসতে পারেন। চার্চ, স্কুল, মিউজিয়াম, কলেজ, স্মৃতি স্তম্ভ মিলিয়ে বেশ লাগবে আপনার। আর প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে গেলে গঙ্গার পাড়ে বসে মন ছুঁয়ে যাবে।
 

<p><br />
আর যদি এসব কোনও কিছু করতে ইচ্ছে না করে, মন চায় ভর-বেগ। মানে ইংরেজিতে যাকে বলে মোমেন্টাম, তা আপনি পেয়ে যাবেন রেস কোর্সে গেলে। সমস্ত জড়তা কেটে যাবে। জিতে ফিরবেন কালো ঘোড়ার মতই। উল্লেখ্য, কলকাতার রেসকোর্সের মাঠ তো সবাই জানে। ব্রিটিশ আমলে যখন কলকাতা ভারতের রাজধানী ছিল, তখন ইতিহাসিক শহর বারসাতের কাছারি ময়দানেই রাজ্যের প্রথম ঘোড়া দৌড় চালু হয়।</p>


আর যদি এসব কোনও কিছু করতে ইচ্ছে না করে, মন চায় ভর-বেগ। মানে ইংরেজিতে যাকে বলে মোমেন্টাম, তা আপনি পেয়ে যাবেন রেস কোর্সে গেলে। সমস্ত জড়তা কেটে যাবে। জিতে ফিরবেন কালো ঘোড়ার মতই। উল্লেখ্য, কলকাতার রেসকোর্সের মাঠ তো সবাই জানে। ব্রিটিশ আমলে যখন কলকাতা ভারতের রাজধানী ছিল, তখন ইতিহাসিক শহর বারসাতের কাছারি ময়দানেই রাজ্যের প্রথম ঘোড়া দৌড় চালু হয়।

loader