২০ হোক আর ৪০, বয়সকে তুড়ি মেরে জাকিয়ে বসছে হার্ট অ্যাটাক

First Published 20, Jan 2020, 4:44 PM IST

বয়স যেন নেহাতই একটা সংখ্যা মাত্র। বারেবারে যেন এই কথাটা প্রমাণ করে দিচ্ছে। বয়স ২০ হোক আর ৪০, বয়সকে তুড়ি মেরে যেন রোগ জাকিয়ে বসছে। কোন বয়সে কোন রোগের কবলে আপনি পড়তে পারেন এসব এখন ভ্রান্ত ধারণা। সারাদিনের অফিসের চাপ, পরিশ্রম, ব্যক্তিগত সমস্যা সারাক্ষণ মাথার মধ্যেই যেন ঘুরপাক হতে থাকে। আর সেখান থেকেই কোনও কিছু না বোঝার আগেই হার্ট অ্যাটাকের শিকার হচ্ছে বহু মানুষ। বিশেষত ছেলেদের থেকে মেয়েদের উপর এর প্রভাব পড়ছে সবথেকে বেশি। প্রভাব পড়লেই হল না , চাই প্রতিরোধের উপায়। তাই বয়স ভুলে যত্ন নিন নিজের শরীরের। রইল কিছু সহজ টিপস।

অল্প বয়সেই হার্ট অ্যাটাক সমস্যা সম্প্রতি বেড়েছে। বিশেষ করে কমবয়সীদের মধ্যে অনেকেই এই সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

অল্প বয়সেই হার্ট অ্যাটাক সমস্যা সম্প্রতি বেড়েছে। বিশেষ করে কমবয়সীদের মধ্যে অনেকেই এই সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

অনেকেই জিনগত কারণে বা হার্টের অসুখের কারণে এই রোগের শিকার হচ্ছে।

অনেকেই জিনগত কারণে বা হার্টের অসুখের কারণে এই রোগের শিকার হচ্ছে।

অত্যাধিক চিন্তার কারণেই এই রোগ থাবা বসাচ্ছে কমবয়সীদের মধ্যে।

অত্যাধিক চিন্তার কারণেই এই রোগ থাবা বসাচ্ছে কমবয়সীদের মধ্যে।

অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় থেকে দূরে থাকুন। সঠিক নিউট্রিশনই আপনার সুস্থ থাকার চাবিকাঠি।

অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় থেকে দূরে থাকুন। সঠিক নিউট্রিশনই আপনার সুস্থ থাকার চাবিকাঠি।

যারা  নিয়মিত ধূমপান করেন তারা সবার আগে  ধূমপান ছেড়ে দিন।

যারা নিয়মিত ধূমপান করেন তারা সবার আগে ধূমপান ছেড়ে দিন।

বিশেষত ছেলেদের থেকে মেয়েদের উপর এর প্রভাব পড়ছে সবথেকে বেশি।

বিশেষত ছেলেদের থেকে মেয়েদের উপর এর প্রভাব পড়ছে সবথেকে বেশি।

সপ্তাহে কুড়ি মিনিট অ্যারোবিক এক্সারসাইজ করুন। এতে শরীরে রক্ত চলাচল ঠিক থাকবে। ধীরে ধীরে জগিংও করতে পারেন।

সপ্তাহে কুড়ি মিনিট অ্যারোবিক এক্সারসাইজ করুন। এতে শরীরে রক্ত চলাচল ঠিক থাকবে। ধীরে ধীরে জগিংও করতে পারেন।

এক্সারসাইজের অভ্যাস না থাকলে সবার প্রথমে হাঁটা শুরু করুন। কারণ হাঁটলে শরীর ফিট থাকবে। প্রতিদিন আধ ঘন্টা করে অবশ্যই হাঁটুন।

এক্সারসাইজের অভ্যাস না থাকলে সবার প্রথমে হাঁটা শুরু করুন। কারণ হাঁটলে শরীর ফিট থাকবে। প্রতিদিন আধ ঘন্টা করে অবশ্যই হাঁটুন।

ফিট রাখতে গিয়ে কঠোর ডায়েটের মধ্যে একদম যাবেন না। সবকিছুই খাবেন কিন্তু অল্প পরিমাণে।

ফিট রাখতে গিয়ে কঠোর ডায়েটের মধ্যে একদম যাবেন না। সবকিছুই খাবেন কিন্তু অল্প পরিমাণে।

বেশি করে জল খান। জল খেলে শরীর থেকে রোগ  এমনিতেই দূর হবে। এতে শরীর থেকে টক্সিন দূর হবে।

বেশি করে জল খান। জল খেলে শরীর থেকে রোগ এমনিতেই দূর হবে। এতে শরীর থেকে টক্সিন দূর হবে।

সকালের ব্রেকফাস্ট কখনওই এড়াবেন না। সকালের দিকে ভারী খাবার খান। দুপুরে হাল্কা খাবার খান। যতটা পারবেন জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন।

সকালের ব্রেকফাস্ট কখনওই এড়াবেন না। সকালের দিকে ভারী খাবার খান। দুপুরে হাল্কা খাবার খান। যতটা পারবেন জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলুন।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমোন। তবে অত্যাধিক ঘুমোবেন না। রাতে ৮-৯ ঘন্টা ঘুমোন কিন্তু ১০-১২ ঘন্টা ঘুমোবেন না।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমোন। তবে অত্যাধিক ঘুমোবেন না। রাতে ৮-৯ ঘন্টা ঘুমোন কিন্তু ১০-১২ ঘন্টা ঘুমোবেন না।

বিশেষত মেয়েদের ক্ষেত্রে  ৩০-৩৫ এর মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা করে ফেলাটাই ভাল।

বিশেষত মেয়েদের ক্ষেত্রে ৩০-৩৫ এর মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা করে ফেলাটাই ভাল।

যতটা পারবেন টেনশন থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন। এতে হৃদরোগের সম্ভাবনা খানিকটা হলেও এড়ানো সম্ভব হবে।

যতটা পারবেন টেনশন থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন। এতে হৃদরোগের সম্ভাবনা খানিকটা হলেও এড়ানো সম্ভব হবে।

বিয়ের আগে চকোলেট, চিপস, আইসক্রিমের পরিবর্তে টাটকা শাক-সব্জি খান। তেল-ঝাল মশলা ভুলে বাড়ির হালকা খাবার খান। প্রতিদিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে দশ মিনিট হাঁটাচলা করে নিন। এতে শরীরের রক্ত চলাচল ঠিকমতো হবে।

বিয়ের আগে চকোলেট, চিপস, আইসক্রিমের পরিবর্তে টাটকা শাক-সব্জি খান। তেল-ঝাল মশলা ভুলে বাড়ির হালকা খাবার খান। প্রতিদিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে দশ মিনিট হাঁটাচলা করে নিন। এতে শরীরের রক্ত চলাচল ঠিকমতো হবে।

loader