কিডনি সমস্যা থাকলে এড়িয়ে চলুন এই খাবারগুলি, হতে পারে স্টোনের মত সমস্যাও

First Published 6, Nov 2019, 12:04 PM IST

কিডনি পাথরের সমস্যা বর্তমানে অতিপরিচিত একটি রোগ। মানবে দেহের সবচেয়ে পরিচিত একটি অঙ্গ এটি। কিডনি অচল হয়ে যাওয়া মানে অবধারিত মৃত্যু।  একটি ছোট পাথর উপসর্গ সৃষ্টি না করেও কিডনিতে হতে পাড়ে। যদি একটি পাথর ৫ মিলিমিটার থেকে বেশি হয় তবে এর ফলে ইউটেরাস এর বাধা হতে পারে যার ফলে নিম্ন পেট বা পেটে তীব্র ব্যথা হয়। বিষেশজ্ঞদের মতে, এমন কিছু এই খাবার রয়েছে যা অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে কিডনিতে স্টোন হতে পারে। জেনে নেওয়া যাক সেই খাবারগুলি কি কি।

ক্যালশিয়ামে পরিপূর্ণ দুগ্ধজাত দ্রব্য অতিরিক্ত পরিমানে  খেলে হতে পারে কিডনির সমস্যা। তাই শরীরে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি হলে ডেয়ারি প্রোডাক্ট খান তবে অতিরিক্ত নয়।

ক্যালশিয়ামে পরিপূর্ণ দুগ্ধজাত দ্রব্য অতিরিক্ত পরিমানে খেলে হতে পারে কিডনির সমস্যা। তাই শরীরে ক্যালশিয়ামের ঘাটতি হলে ডেয়ারি প্রোডাক্ট খান তবে অতিরিক্ত নয়।

প্রসেসড ফুড বা চিপস অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে কমে যায় লিভার ও কিডনির কাজ করার ক্ষমতা। যার ফলে বেড়ে যায় কিডনি স্টোনের সমস্যা।

প্রসেসড ফুড বা চিপস অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে কমে যায় লিভার ও কিডনির কাজ করার ক্ষমতা। যার ফলে বেড়ে যায় কিডনি স্টোনের সমস্যা।

যে কোনও ধরনের এনার্জি ড্রিঙ্ক, বা প্রসেসড ফ্রুট জুস তেষ্টার সময় খেতে ভালো লাগলেও। অতিরিক্ত পরিমানে এই ধরের পানীয় খেলে হতে পারে কিডনির সমস্যা।

যে কোনও ধরনের এনার্জি ড্রিঙ্ক, বা প্রসেসড ফ্রুট জুস তেষ্টার সময় খেতে ভালো লাগলেও। অতিরিক্ত পরিমানে এই ধরের পানীয় খেলে হতে পারে কিডনির সমস্যা।

শরীরে পর্যাপ্ত পরিমানে সোডিয়ামের প্রয়োজন। শরীরে ফ্লুয়িডের মাত্রা বজায় রাখতে খাওয়ার পাতে নুন খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তবে অতিরিক্ত মাত্রায় নুন খেলে কিডনিতে স্টোনের সমস্যা দেখা দেয়।

শরীরে পর্যাপ্ত পরিমানে সোডিয়ামের প্রয়োজন। শরীরে ফ্লুয়িডের মাত্রা বজায় রাখতে খাওয়ার পাতে নুন খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তবে অতিরিক্ত মাত্রায় নুন খেলে কিডনিতে স্টোনের সমস্যা দেখা দেয়।

যাদের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা রয়েছে, তাদের রেড মিট না খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ইউরিক অ্যাসিড। তাই অতিরিক্ত রেড মিট খেলে কিডনিতে স্টোন এমন কি কিডনি ক্ষয় অবধিও হতে পারে।

যাদের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা রয়েছে, তাদের রেড মিট না খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ইউরিক অ্যাসিড। তাই অতিরিক্ত রেড মিট খেলে কিডনিতে স্টোন এমন কি কিডনি ক্ষয় অবধিও হতে পারে।

অতিরিক্ত মাত্রায় কৃত্তিম চিনিতে ওজন বৃদ্ধি হয় একই রকমভাবে তাতে লিভার ও কিডনির কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়। যার ফলে বেড়ে যায় কিডনি স্টোন হওয়ার সমস্যা।

অতিরিক্ত মাত্রায় কৃত্তিম চিনিতে ওজন বৃদ্ধি হয় একই রকমভাবে তাতে লিভার ও কিডনির কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়। যার ফলে বেড়ে যায় কিডনি স্টোন হওয়ার সমস্যা।

ইউরিনে ক্যালসিয়ামের পরিমান বেড়ে গেলেই কিডনি-তে স্টোন হওয়ার সমস্যা বৃদ্ধি পায়। তাই অতিরিক্ত কফি খেলে চাপ পড়ে কিডনিতে।

ইউরিনে ক্যালসিয়ামের পরিমান বেড়ে গেলেই কিডনি-তে স্টোন হওয়ার সমস্যা বৃদ্ধি পায়। তাই অতিরিক্ত কফি খেলে চাপ পড়ে কিডনিতে।

loader