শীতের খামখেয়ালিপনার কাশি সারাতে ম্যাজিকের মতো কার্যকরী আনারস, আজই ট্রাই করুন

First Published 13, Jan 2020, 2:42 PM IST

শীতকাল আসা মানেই সর্দি কাশির সমস্যা লেগেই রয়েছে। কখনও তাপমাত্রা বাড়ছে, আবার কখনও কমছে। আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনার জন্য শরীরটাও খারাপ হচ্ছে। তার জেরে সর্দি, কাশির মতো সমস্যা লেগেই রয়েছে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্যাগুলি যেন আরও বাড়তে থাকে। আর সমস্যা হলেই যখন তখন আমরা ওষুধ খেয়ে নিই। কিন্তু এই ওষুধ খাওয়া সবসময় ঠিক নয়, তাই ওষুধের বিকল্প হিসেবে আনারসের ঘরোয়া টোটকাতেই মিলতে পারে এই রোগ থেকে মুক্তি। 

শীতে সর্দি কাশির থেকে রেহাই পেতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে আনারস।

শীতে সর্দি কাশির থেকে রেহাই পেতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে আনারস।

আনারসের মধ্যে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে প্রচুর পরিমাণে। তার ফলে এই ফলের রস কাশি সারাতে পারে খুব তাড়াতাড়ি।

আনারসের মধ্যে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে প্রচুর পরিমাণে। তার ফলে এই ফলের রস কাশি সারাতে পারে খুব তাড়াতাড়ি।

তেমনি আবার হজম শক্তি বৃদ্ধিতেও দারুণ কাজ করে আনারস।

তেমনি আবার হজম শক্তি বৃদ্ধিতেও দারুণ কাজ করে আনারস।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে আনারস।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে আনারস।

অ্যালার্জি প্রতিরোধেও জুড়ি মেলা ভার আনারসের।

অ্যালার্জি প্রতিরোধেও জুড়ি মেলা ভার আনারসের।

আনারসের জুসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খান। দীর্ঘদিন ধরে কাশির সমস্যায় ভুগলে অনায়াসেই মুক্তি পাবেন এই টোটকা থেকে।

আনারসের জুসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খান। দীর্ঘদিন ধরে কাশির সমস্যায় ভুগলে অনায়াসেই মুক্তি পাবেন এই টোটকা থেকে।

আনারসের রসের সঙ্গে মধুর পাশাপাশি নুন ও  গোলমরিচের মিশ্রণ তৈরি করে রাখুন। প্রতিদিন  তিনবার করে ওই মিশ্রণ খান।

আনারসের রসের সঙ্গে মধুর পাশাপাশি নুন ও গোলমরিচের মিশ্রণ তৈরি করে রাখুন। প্রতিদিন তিনবার করে ওই মিশ্রণ খান।

আনারসের রসের পাশাপাশি দিনে দু-তিনবার আদা দেওয়া চা খান। ওষুধের থেকে তাড়াতাড়ি কাজ করে এই মিশ্রণ।

আনারসের রসের পাশাপাশি দিনে দু-তিনবার আদা দেওয়া চা খান। ওষুধের থেকে তাড়াতাড়ি কাজ করে এই মিশ্রণ।

আনারস পিস পিস করে কেটে নুন ও গোলমরিচ ছড়িয়েও খেতে পারেন।

আনারস পিস পিস করে কেটে নুন ও গোলমরিচ ছড়িয়েও খেতে পারেন।

অনেকের আবার আনারস সহ্য হয় না। সেক্ষেত্র এরকম কোনও সমস্যা হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যান।

অনেকের আবার আনারস সহ্য হয় না। সেক্ষেত্র এরকম কোনও সমস্যা হলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যান।

loader