এই ৪ কারণেই ধ্বংস হবে পৃথিবী, দাবী বিজ্ঞানীদের
যার সৃষ্টি আছে তার ধ্বংসও আছে। এ এক চিরন্তন সত্য। ঠিক একইভাবে এই পৃথিবীও প্রতিদিন ক্রমশ এগিয়ে চলেছে ধ্বংসের দিকে। এই নিয়ে বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিদ ও কসমোলজিস্ট স্টিফেন হকিং বহু ভবিষ্যৎ বানী করে গিয়েছেন। পৃথিবীকে এই ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য দিনরাত পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরাও। আর এই গবেষণার মাধ্যেই উঠে এসেছে বেশ কিছু তথ্য। বিজ্ঞানীর জানিয়েছেন ঠিক এই কারণগুলোর জন্যই ধ্বংস হবে পৃথিবীর।
18

মানবতার বিলুপ্তি- প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে স্থিতিশিল হয়ে উঠবে মানুষের জনসংখ্যা, এমনটাই দাবি বিজ্ঞানীদের। প্রযুক্তির প্রতি মানুষ এতটাই অভ্যস্ত হয়ে উঠবে যার ফলে মানব সভ্যতার দিন শেষ হবে৷
28
তার বদলে বিশ্ব জুড়ে রাজত্ব করবে রোবটরা৷ এমনকী প্রফেসর হকিং-ও একথা জানিয়েছিলেন৷ বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের হাতে তৈরি রোবটরাও একদিন মানবতার ধ্বংস করবে৷ ফলে পৃথিবী থেকে একদিন মানব জাতিক বিলুপ্তি ঘটবে।
38
আগ্নেয়গিরি- সারা পৃথিবী জুড়ে রয়েছে কয়েক শত আগ্নেয়গিরি। যার মধ্যে রয়েছে সুপ্ত ও জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। যার সংখ্যা প্রায় ৫০০-এর মত। বিজ্ঞানীদের এক আংশের দাবী সুপার আগ্নেয়গিরি জেগে উঠলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। এই ৫০০ টি আগ্নেয়গিরির মধ্যে এমন ৪টি আগ্নেয়গিরি রয়েছে, যা চোখের পলকে পৃথিবীকে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। আর এই চারটি আগ্নেয়গিরির নাম তাই সুপার আগ্নেয়গিরি।
48
এই চারটি আগ্নেয়গিরি হল জাপানের অ্যায়রা কালডেরা, নিউজিল্যান্ডের টাউপো, আমেরিকার ইয়োলোস্টাইন ও ইন্দোনেশিয়ার লেক টোবা। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আগ্নেয়গিরি হল আমেরিকার ইয়েলোস্টোন। এটি হল পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সুপার আগ্নেয়গিরি। এই চারটে সুপার আগ্নেয়গিরির মধ্যে, যে কোনও একটি জেগে উঠলে বা লাভা উদগীরণ তা প্রায় ২০০০ মিলিয়ন সালফিউরিক এসিড বের করার সম্ভাবনা। যার ফলে শুধু পৃথিবী নয় ক্ষতি হবে সূর্যেরও।
58
জৈব অস্ত্র- বিজ্ঞানীরা মনে করেছেন মানুষের গবেষণার ফলে সৃষ্টে হবে এমন কিছু ভাইরাস বা জীবানুর যা এক ভয়ঙ্কর রূপ নেবে। এর ফলে জীবজগতে নেমে আসতে পারে চরম বিপর্যয়। বর্তমান সময়ে যেমন করোনা ভাইরাস সারা বিশ্ব জুড়ে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনই কিছু ভাইরাসের প্রভাবে ধ্বংসের মুখে পড়তে হবে গোটা জীব সমাজকে। আর যার ফলে ধ্বংস হবে পৃথিবীর।
68
মহাজাগতিক বিস্ফোরণ- পৃথিবীর ধ্বংসলীলা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। ধ্বংসের মুখে পড়তে চলেছে সৌর জগৎ-সহ গোটা বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড। বিজ্ঞানীদের মতে মহাকাশে পরপর এমন কিছু বিস্ফোরণ হচ্ছে যার প্রভাবে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে সৌর পরিবার। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পৃথিবী থেকে মাত্র ৩৯ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে বিশ্বের বৃহত্তম বিস্ফোরণ ঘটেছে। আর তা সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। 'বিগ ব্যাং'-এর পর এটিই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বড় বিস্ফোরণ।
78
জ্যোতির্বিদরা বলেছেন যে বিস্ফোরণটি ছায়াপথ ক্লাস্টার এমএস০৭৩৫ + ৭৪-এ বিস্ফোরণের চেয়ে ৫ গুণ বেশি শক্তি নির্গত হয়েছিল। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব অনেকটাই বলে তেমন কোনও প্রভাব পড়েনি। তবে ক্রমাগত মহাকাশে এই ধরণের বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে, তা এই পৃথিবী-সহ সৌরজগতের অস্তিত্বটুকুও টিকিয়ে রাখবেনা।
88
সৌর ঝড়- সূর্যের উপস্থিতি পৃথিবীর টিকে থাকার জন্যে প্রয়োজন, এটা খুব সাধারণ বিষয়। সৌর শক্তি যা খুব দ্রুত পৃথিবীতে এসে উপস্থিত হয় যা পৃথিবীর প্রাণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সূর্যের রশ্মির থেকেই নির্গত হওয়া সোলার ম্যাক্স, যা সূর্য থেকে নির্গত হওয়া সবচাইতে শক্তিশালী এক রশ্মি। এই আলোকরশ্মি খুব দ্রুত আঘাত হানতে পারে পৃথিবীতে। আর এর তাপ প্রবাহে জ্বলে পুড়ে ধ্বংস হবে পৃথিবীর।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News
Latest Videos