কোনও ব্যক্তি ডিপ্রেশনে রয়েছে কি না তা জানতে হলে নজর রাখুন, যদি সেই ব্যক্তির মধ্যে কয়েকটি লক্ষণ দেখতে পান, তবে বুঝতে হবে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছেন। বর্তমানে প্রত্যেকের জীবনে ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদ খুব সাধারণ বিষয়। কর্ম জীবনে কাজের চাপ তার সঙ্গে রয়েছে পারিবারিক আরও নানান সমস্যাও। বাড়ি অফিস ছাড়াও থাকে পারিপার্শ্বিক আরও নানান সমস্যা। আর ক্রমাগত এই সমস্যা কাটিয়ে উঠার তাগিদে বা বার বার সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার ফলে ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদে ভুগে থাকেন অনেকেই। 

 আপনি মানসিক অবসাদগ্রস্থ কি না তা জানতে হলে, নিজেকেই করুন এই ১০ টি প্রশ্ন। আর এই প্রশ্নগুলি করার পর যদি বোঝেন এই প্রশ্নগুলির মধ্যে বেশিরভাগের উত্তরই হ্যাঁ, তবে আপনি মানসিক অবসাদ বা ডিপ্রেসনে ভুগছেন। এর জন্য আপনাকে অবশ্যই উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

১) খুব সহজেই অধৈর্য হয়ে পড়েন? 
২) দিনে দু’কাপের বেশি চা-কফি পান করেন?
৩) কারণে-অকারণে ধূমপান করেন?
৪) কঠিন সময়ে নিঃশ্বাসের সমস্যা হয়? 
৫) খুব অল্পেই কি আপনি বিরক্ত হয়ে যান? 
৬) ইচ্ছে থাকলেও নিজের জন্য সময় বেড় করতে পারেন না? 
৭) কী সমস্যা হবে তা ভেবেই কি আপনি চিন্তায় পড়ে যান? 
৮) কায়িক কোনও কাজ না করেও কি ঘাম হয় আপনার?
৯) আপনি অন্যের কথার মাঝে কথা বলেন? 
১০) সামান্য কোনও ব্যাপারে কি প্রচণ্ড উত্তেজিত হয়ে পড়েন? 
 

এই ১০ টি প্রশ্নের মধ্যে বেশিরভাগের প্রশ্নের উত্তরই যদি হ্যাঁ হয়, তবে আপনি অবসাদের শিকার। নিজের জন্য কাজের মধ্যে থেকেও সময় বের করুন। অন্তর্মুখী বা এককেন্দ্রিক হয়ে থাকলে অথবা চিন্তা বা ভাবনায় অস্পষ্টতা থাকলে। অথবা অল্পতেই যদি অসঙ্গত আচরণ করে তবে বুঝতেই হবে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছেন। যদি কোনও ব্যক্তি নিজেকে সব সময়ের জন্য কাজে ব্যস্ত রাখে, তবে বুঝতে হবে তিনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন। নিজের অনুভূতিগুলো প্রিয়জনদের থেকে আড়াল করা মানেই তিনি মানসিকভাবে বিষাদগ্রস্থ। যদি অল্পতেই কোনও ব্যক্তি রেগে যান। যেই কাজ করলে আপনার মন ভালো থাকবে- (যেমন- বই পড়া, গান শোনা, ঘুরতে যাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া) সেই কাজ করুন।