সোমবার বিকেল থেকেই পুরোদস্তুর লকডাউন শুরু হয়ে যাচ্ছে রাজ্য়ে। গোটা দেশে আক্রান্তের সংখ্য়া ৩০০ ছাড়িয়ে এগিয়ে চলেছে। রাজ্য়ে মাত্র কয়েকদিনেই আক্রান্তের সংখ্য়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার। যাঁদের মধ্য়ে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এই পরিস্থিতিতে বেপরোয়া বা দুঃসাহসিক হয়ে বাইরে না-বেরনোই বুদ্ধিমানের কাজ। আর সেইসঙ্গে উচিত, কিছু সতর্কতা মেনে চলা। যার মধ্য়ে প্রথমেই পড়ে খানিকক্ষণ অন্তর অন্তর ভালো করে হাত ধোওয়া। স্য়ানিটাইজার না-থাকলে সাবান দিয়েই  হাত ধুয়ে ফেলুন, কোনও অসুবিধে নেই।

এবার আসি কিছু জরুরি কথায়। কোনও জরিবুটি দিয়ে করোনা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এমনকি এর কোনও ওষুধও এখনও পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। তবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্য়বস্থা বাড়িয়ে তুলতে কিছু কাজ কিন্তু আপনি করতেই পারেন। যেমন  গরম জল খাওয়া। শুধু গরম জল খেতে ভালো না-লাগলে চা করে খান। এ কথা একবারও বলা হচ্ছে না যে, গরমজল খেলে আর করোনা আক্রমণ করতে পারবে না। কিন্তু তার সম্ভাবনা কিছুটা হলেও কমবে। ভাইরাস সহজে বাসা বাঁধতে পারবে না। তাকে বেশ বেগ পেতে হবে।

সেইসঙ্গে খান ভিটামিন-সি। যে কোনও রোগ প্রতিরোধেই ভিটামিন-সি-র ভূমিকা সাংঘাতিক। একটা পাতিলেবুর রসেও যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন-সি রয়েছে। তাই আপনাকে মুসাম্বি লেবু খেতে হবে এমন কোনও কথা নেই। যে কোনও লেবু খান। এ ছাড়াও বিভিন্ন ফল, কাঁচালঙ্কা, সবুজ শাকসবজিতে ভালো পরিমাণে ভিটামিন-সি থাকে। আবারও বলছি, লেবুর রস বা ভিটামিন-সি  খেলে যে করোনা আক্রমণ করবে না, এমনটা কিন্তু আদৌ দাবি করা হচ্ছে না। শুধু বলা হচ্ছে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। আর এ কথা তো এখন বলাই হচ্ছে যে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যার যত বেশি তার করোনায় সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা তত কম। শুধু তাই নয়, সেইসঙ্গে যদি কেউ করোনায় আক্রান্ত হনও, তাহলেও তাঁর যুঝবার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায় যদি শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার বেশি থাকে।

এছাড়া আর বিশেষ কিছু বলবার নেই। খুব রিচ বা তেল-ঝাল-মশলা এই কদিন এড়িয়ে চলুন। হালকা সহজপাচ্য় খাবার খান। খাবার ফ্রিজ থেকে বের করে তাকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নিয়ে গিয়ে তাকে ভালো করে ফুটিয়ে তবে খান। আর যাঁদের ঠান্ডা লাগার ধাত আছে, এই সিজিন মুখে তাঁরা একটু সাবধানে থাকুন। পারলে গরম জলে স্নান করুন। পাখা চালালেও খুব হালকা করে চালান।