সন্দীপ মজুমদার, হাওড়া: আনলকের শিথিলতা আর নয়, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ফের লকডাউন জারি করেছে প্রশাসন। কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়ছে হাওড়ায়। চারদিনের ব্য়বধানে ২৯টি এলাকাকে নতুন করে সংক্রমিত বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: খোলা জায়গায় পড়ে রইল করোনা আক্রান্তের দেহ, আতঙ্ক ছড়াল খোদ মন্ত্রীর ওয়ার্ডে

করোনা সংক্রমণকে যেন কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না! যতদিন যাচ্ছে, আক্রান্তে সংখ্যাও ততই বাড়ছে হাওড়া জেলার সর্বত্রই। ৮ জুলাই জেলা প্রশাসনের তরফে ৬৫টি কন্টেনমেন্ট জোনের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এবার সেই তালিকায় ঢুকল আরও ২৯টি এলাকা। ফলে মাত্র চারদিনে হাওড়ায় কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা বেড়ে হল ৮৫! প্রশাসন সূত্রে খবর,  কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে জরুরি পরিষেবা ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী দোকান ছাড়া সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, মল, জিম, সেলুন, বিউটি পার্লার, সিনেমা হল, হাট-বাজার, হোটেল, লজ, রেস্তোরাঁ, কল-কারখানা ইত্যাদি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।  প্রকাশ্য স্থানে জমায়েতেপ উপর জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া যেমন বাড়ির বাইরে বেরোনো যাবে না, তেমনি কন্টেনমেন্ট জোনে বহিরাগতদেরও ঢুকতে দেওয়া হবে না। নিয়ম না মানলে কড়া ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

আরও পড়ুন: চার জেলায় লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ, বাধ্য হয়ে নোডাল অফিসার নিয়োগ রাজ্যের
 
জানা গিয়েছে, হাওড়ায় এখনও সত্তর থেকে আশি শতাংশ মানুষ এখনও মাস্ক না পরেই হাটে-বাজারে, পথে-ঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাতেই উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের। মানুষ যদি সচেতন না হন, তাহলে বিপদ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদি বিভাগীয় তদন্তের মুখে পড়তে হয়! সেই ভয়ে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ করতে পারছেন না পুলিশকর্মীরা।