সরস্বতী পুজোয় ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরা হল না। রেললাইন থেকে এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হাওড়ার উলুবেড়িয়ায়। একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মৃতার নাম সাথী সামন্ত। বাড়ি, উলুবেড়িয়ার রাজাপুর এলাকার সুমদা গ্রামে। বাগনান ভুঙেড়া বি এন এস উচ্চ বিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিল সাথী। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার, সরস্বতী পুজো দিন বান্ধবীদের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিল সে, কিন্তু আর বাড়ি ফেরেনি। কোথায় গেল সাথী? বান্ধবীদের কাছ থেকে পরিবারের লোকেরা জানতে পারেন, ঘটনার দিন তাকে নাকি এক যুবকের সঙ্গে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। এরপরই স্থানীয় রাজাপুর থানায় মেয়ের নামে নিখোঁজ ডায়েরি করেন সাথী সামন্তের পরিবারের লোকেরা।

আরও পড়ুন: নিখোঁজ শিশুর দেহ ভেসে উঠল খালে, অগ্নিগর্ভ হাওড়ার আমতা

আরও পড়ুন: অগ্নিদগ্ধ রোগীর দেহ রাস্তায়, প্রশ্নের মুখে হাসপাতালের নিরাপত্তা
 

এদিকে যেদিন সাথীর নিখোঁজ হয়ে যায় বলে অভিযোগ, তার পরের দিন অর্থাৎ শুক্রবার  বাগনান স্টেশনের কাছে রেললাইন থেকে এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রাতে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে গিয়ে মৃতদেহটি শনাক্ত করেন সাথীর সামন্তের পরিবারের লোকেরা।  ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে রাজাপুরে। মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় এক যুবক গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। কিন্তু সরস্বতী পুজোয় ঠাকুর দেখতে কীভাবে মারা গেল ওই কিশোরী? তা এখনও স্পষ্ট নয়।