পায়ে স্যালাইনের জেলকো লাগানো অবস্থায় এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো এলাকায়। রবিবার সকালে জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ মোড় সংলগ্ন ডাঙ্গাপাড়ার জাতীয় সড়কের পাশ থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার হয়।

চিন থেকে ভারতে আসার অনলাইন ভিসা বন্ধ , করোনা মোকাবিলায় সরকারের সিদ্ধান্ত

 হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে মৃত যুবকের নাম পাঁচু ঘোষ (২৭)। বাড়ি বেলাকোবার বটতলা সর্দারপাড়া এলাকায়। গত বুধবার অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসার জন্য জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যের পর হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন পাঁচু। এদিন সকালে তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। প্রশ্ন উঠেছে, হাসপাতালে প্রতিটি তলা এবং প্রতিটি গেটে নিরাপত্তারক্ষী থাকার পরে কীভাবে একজন চিকিৎসাধীন রোগী হাতে পায়ে ব্যান্ডেজ এবং পায়ে স্যালাইনের জেলকো লাগানো অবস্থায় হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে বেরিয়ে গেলেন। রাতে হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হলেও পুলিশকে জানানো হয়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

করোনা আতঙ্ক কলকাতায়, বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি মার্কিন নাগরিক

জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি।হাসপাতাল থেকে অগ্নিদ্বগ্ধ রোগীর বাইরে বেড়িয়ে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে একাধিক। পরিবারের পক্ষ থেকে অমৃত ঘোষ অভিযোগ করেছেন, নেশাগ্রস্থ অবস্থায় বাড়িতে গত বুধবার আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদ্বগ্ধ হন  ওই যুবক। কিন্তু শরীরের ৫০ শতাংশ পুড়লে কী করে ব্যান্ডেজ,স্যালাইন লাগানো অবস্থায় হাসপাতালের বাইরে বের হল রোগী। 

হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের লোকজন। তাঁদের দাবি, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের ভেতর পান মশলা মুখে নিয়ে ঢুকলেই প্রবেশ করতে দেয় না নিরাপত্তারক্ষীরা। তাহলে স্যালাইন লাগানো ও ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় কী করে একজন রোগীকে হাসপাতালের বাইরে বেড়িয়ে যেতে দিল নিরাপত্তা রক্ষীরা। তাহলে কী নিরাপত্তা রক্ষীরা রাতে ঘুমিয়ে থাকেন। ইতিমধ্য়েই পুলিশে অভিযোগের কথা জানিয়েছে মৃতের পরিবার।

নীল বাতির গাড়ির নম্বর পাল্টে মাদক পাচার, গ্রেফতার ৩

এদিকে ভারপ্রাপ্ত জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা: রুদ্র কুমার জানান, এটা খুবই চিন্তার বিষয়। কী করে নিরাপত্তারক্ষীদের ঘেরাটোপ এড়িয়ে রোগী পালাল তা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে।পুলিশকে খবর দিয়েছি। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় খামতি ধরা পড়লে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে ,ঘটনার তদন্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালি থানার আই সি বিশ্বাশ্রয় সরকার।