পাওনা টাকা দাবি করায় মহিলার ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠল এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, টাকা চাইতে গেলে দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে রাখা হয় আক্রান্ত মহিলাকে। মহিলা যাতে পালাতে না পারেন তাই আটকে রাখা হয় একটি ঘরে। শেষে সম্ভ্রম বাঁচাতে দোতলার জানালা দিয়ে ঝাঁপ দেন আক্রান্ত। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার বেলুড়ে। ইতিমধ্য়েই অভিযোগের ভিত্তিতে নিশ্চিন্দা থানার পুলিশ অভিযুক্ত ঠিকাদার সুবীর মাইতিকে গ্রেফতার করেছে। আটক করা হয়েছে ঠিকাদারের এক নাবালক আত্মীয়কেও। 

রাজ্যপালকে নিয়ে নরম হল নবান্ন, মাঘমেলায় যোগ দিতে হেলিকপ্টারেই শান্তিনিকেতনে ধনখড়

সূত্রের খবর, হুগলির আদি সপ্তগ্রামের বছর ৩০-এর এক মহিলা মার্বেল মিস্ত্রী সুবীর মাইতির কাছে সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। ওই ঠিকাদারের কাছে তাঁর বেশ কিছু টাকা পাওনা ছিল। বেশ কয়েকদিন ধরে  ঠিকাদারকে তিনি পাওনাগন্ডার জন্য তাগাদা দিচ্ছিলেন। ওই মহিলা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ঠিকাদার সুবীর মাইতি বেলুড়ের চাঁদমারি নেতাজিনগরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন। সোমবার স্ত্রী-সন্তানকে শ্বশুরবাড়ি পাঠিয়ে ওই ভাড়াবাড়িতে তাঁকে ডেকে পাঠান তিনি। ঘরে ঢোকার পরই শুরু হয় অকথ্য় অত্যাচার। মহিলার দাবি, তাঁর হাত-পা বেঁধে যৌন নির্যাতন করা হয়।  

দড়ি বেঁধে মহিলাকে অত্যাচার, গঙ্গারামপুর কাণ্ডে রিপোর্ট তলব হাইকোর্টে-এর

শেষে দোতলার ওই ভাড়া ঘরে মহিলাকে আটকে রেখে ঠিকাদার চলে যায়। এদিকে নিজের সম্ভ্রম বাঁচাতে কোনওক্রমে হাত, পায়ের বাঁধন খুলে খোলা জানালা দিয়েই ঝাঁপ দেন মহিলা। ঠিকাদারের প্রতিবেশীরা মহিলাকে দেখে ফেলেন। তারাই উদ্ধার করে তাঁকে স্থানীয়  হাসপাতালে নিয়ে যান। নিশ্চিন্দা থানার পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার অভিযোগে আটক করা হয়েছে ঠিকাদারের এক নাবালক আত্মীয়কে।

করোনা মোকাবিলায় সতর্ক কলকাতা চিড়িয়াখানা, কড়া নজরদারি বিদেশিদের উপরে