বিহারে বিষাক্ত মদ খেয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩। বিহারের ঔরাঙ্গাবাদে বিষাক্ত মদ খেয়েই এই ১৩ জনের মৃত্য়ু হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এদিকে আরও অনেক হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

বিহারে বিষাক্ত মদ খেয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩। বিহারের ঔরাঙ্গাবাদে বিষাক্ত মদ খেয়েই এই ১৩ জনের মৃত্য়ু হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। অভিযোগ, দেশি মদ খেয়েছিলেন। আর খাওয়ার পরেই সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অধিকাংশই। বমি করতে থাকেন। এদিকে আরও অনেক হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এর আগে ঔরাঙ্গাবাদ পুলিশ দাবি করেছিল, শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত খিরিয়াওয়া গ্রামে ৩ জন এবং মদনপুর থানার অধীনে রানিগঞ্জ গ্রামে ২ জন বিষাক্ত মদ খেয়ে মারা গিয়েছেন। এত মানুষের মৃত্যুতে জাতীয় মানবধিকার কমিশন বিহার সরকারের কাছে নোটিস পাঠিয়ে এবিষয়ে জানতে চেয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জানা গিয়েছে, খিরিয়াওয়া গ্রামে মৃতদের নাম প্রাক্তন সরপঞ্চ বিনোদ পাল (৫০), সোনওয়া কুনওয়ার (৬০), কামেশ্বর কুমার (৩৫), শিব সাউ, শম্ভু ঠাকুর, অনিল শর্মা, বিন কুমার গুপ্তা (৩০), রবীন্দ্র সিং এবং আরও ৪ জন। বাকি তিনজন ধনঞ্জয় চৌধুরি , মহম্মদ নিজাম, সুবোধ সিং-র অবস্থা। সূত্রের খবর, ঝাড়খন্ড থেকে আসা এই মদ মদনপুর, সালাইয়া, গয়ার আমাস ব্লকে পাঠানো হয়। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় এই যে, এত কাণ্ডের পরেও এখনও মদ বিক্রি চলছে।এবং এলাকাবাসী তা পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। ইতিমধ্যেই মঙ্গলবার রহস্যজনকভাবে তিন জন মারা যান। অন্য ৪ জনকে গয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও মৃতদের পরিবারের দাবি, সোমবার একটি বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে গিয়ে তাঁরা এই বিষাক্ত মদ খেয়েছিলেন।

আরও পড়ুন, উত্তরাখণ্ডে বাঙালি পর্যটকের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ মমতার, সরকারের তরফে 'যথাযথ' ব্যবস্থা

আরও পড়ুন, জঙ্গিদের গুলিতে নিহত কাশ্মীরের জনপ্রিয় অভিনেত্রী, গুরুতর জখম ১০ বছরের আমরিনার ভাগ্নেও

জানা গিয়েছে, বিহারের ঔরাঙ্গাবাদে বিষাক্ত মদ খেয়েই এই ১৩ জনের মৃত্য়ু হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এদিকে আরও অনেক হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এর আগে ঔরাঙ্গাবাদ পুলিশ দাবি করেছিল, শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত খিরিয়াওয়া গ্রামে ৩ জন এবং মদনপুর থানার অধীনে রানিগঞ্জ গ্রামে ২ জন বিষাক্ত মদ খেয়ে মারা গিয়েছেন।অমর পাসোয়ান এবং অর্জুন পাসোয়ানের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালীন তাঁদের বয়েস ছিল যথাক্রমে ২৬ এবং ২৭ বছর। তাঁরা আমাস থানার পাথরা গ্রামে একটি বিয়ে অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। অভিযোগ সেখানেই দেশি মদ খেয়েছিলেন। আর খাওয়ার পরেই সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন অধিকাংশই। বমি করতে থাকেন। পেটে ব্যাথা শুরু হয়। দৃষ্টি ঝাপসা হতে শুরু করে। ঔরঙ্গবাদ এবং গয়ায় এত মানুষের মৃত্যুতে জাতীয় মানবধিকার কমিশন বিহার সরকারের কাছে নোটিস পাঠিয়ে এবিষয়ে জানতে চেয়েছে।

আরও পড়ুন, ওড়িশায় মোবাইল চুরির শাস্তি, 'চোর'-কে ট্রাকের সামনে বেঁধে গাড়ি স্টার্ট দিল চালক